স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতালে বাসের সংখ্যা বাড়লেও সেই বাসে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উঠতে চাচ্ছেন না যাত্রীরা।
সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় সরেজমিন যাত্রাবাড়ী ঘুরে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিগত দিনগুলোর হরতালে বাসে পেট্রোল বোমার বিস্ফোরণে অনেকেই দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তাই তারা জীবনের ঝুঁকি না নিয়ে পায়ে হেঁটেই কেউবা রিকশা করে নিজ নিজ কর্মস্থলে যাচ্ছেন।
যাত্রাবাড়ী টু গাবতলীতে চলাচল করা ৮ নম্বর বাসের চালক সামছুল জানান, হরতালে যাত্রীরা বাসে উঠতে সাহস পাচ্ছে না। ফলে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে ধীরে ধীরে গাড়ি চালাতে হচ্ছে।
এদিকে যাত্রাবাড়ী-সায়েদাবাদে লোকাল বাস বাড়লেও দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। ফলে দূরপাল্লার বাসের হেলপার ও ড্রাইভারদের বাসের ভেতরেই ঘুমাতে দেখা গেছে। টিকিট কাউন্টারগুলোতেও তেমন ভিড় দেখা যায়নি।
লোকাল বাসের যাত্রীর সংখ্যা কম থাকায় বাসের হেলপার ও চালকদের মধ্যে তেমন কোনো তাড়াহুড়ো নেই।
সিটিং সার্ভিস শিখর পরিবহনের হেলপার সুজন বলেন, ‘অন্যদিনগুলোতে যাত্রী উঠাতে বেগ পেতে হয়। আর আজ ডেকেও যাত্রী পচ্ছি না।’
এদিকে হরতালকে কেন্দ্র করে যাত্রাবাড়ী-সায়েদাবাদ এলাকায় হরতাল সমর্থকদের মিছিল বা তাদের কোনো উপস্থিতি চোখে পড়েনি। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়ার প্রতিবাদে সোমবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে হরতালের ডাক দেয় ২০ দলীয় জোট।
