বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ মুখ তার চাঁদের মতো, চোখ দুটি পটলচেরা। কাব্যে রাজকুমারীদের সৌন্দর্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে বহুবার এ সব বিশেষণ ব্যবহৃত হয়েছে। জুলিয়ার মুখ দেখলে ঠিক এমনটাই মনে হবে। তবে দেহের গড়ন ঠিক উল্টো। মনে হবে রাজকুমারীর দেহে বলবান কোনও রাজপুত্র এসে প্রবেশ করেছে। ফেটে পড়ছে মাসল। বাইসেপ থেকে ট্রাইসেপ, প্রত্যেকটির আকার নিখুঁত। তাকে সবাই ‘মাসল বার্বি’ বলেই চেনে। চিনে নিন রাশিয়ান ‘মাসল বার্বি’কে
আঠোরে বছরের জুলিয়া ভিনস এমনই মিশেলে তৈরি। এই রাশিয়ান সুন্দরীকে দেখে যদি সাধারণ আর পাঁচজনের মতো ভাবেন তা হলে ভুল করবেন। ইনি ওয়েটলিফ্টিংয়ে তিনটি রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন। অনায়াসে ৪০০ পাউন্ড ওজন তুলতে পারেন। জুলিয়া যে এমন চেহারা এমনি এমনি পেয়েছেন এমনটা নয়। প্রথমে তিনি এত পেশিবহুল ছিলেন না। রীতিমতো ঘাম ঝরিয়ে কষ্ট করে তাকে এই চেহারা তৈরী করতে হয়েছে।
জুলিয়া বলেন, ছোটবেল থেকে বেশ ভাল ছাত্রী ছিলাম। পড়াশোনার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গীত-কলা বিষয়ক বিভিন্ন ব্যাপারে জড়িয়ে রেখেছিলাম নিজেকে। তবে একটা জিনিস আমার খারাপ লাগত, যখনই কেউ আমায় দেখে বলতেন পুতুল পুতুল দেখতে, বেশ রাগ হত। ১৫ বছর বয়সে এসে ঠিক করি জিমে যাব। ওখানে ছেলেরা যা যা করত আমিও সেটা করার চেষ্টা করতাম। তাতে চেহারায় তেমন প্রভাব পড়েনি। তবে যেই পাওয়ার লিফ্টিং শুরু করলাম, আমার চেহারার গড়ন সম্পূর্ণ পাল্টে গেল। পরে আমি প্রশিক্ষকের সাহায্য নিই। এক বছরের মধ্যেই আমি সম্পূর্ণ ভিন্ একজন মানুষে পরিণত হলাম। চিনে নিন রাশিয়ান ‘মাসল বার্বি’কে
সপ্তাহে চারদিন প্রশিক্ষকের কাছে ট্রেনিং তো করছেনই, সঙ্গে প্রতিদিন বয়ফ্রেন্ড সের্গেই-র সঙ্গে জিমে কঠিন পরিশ্রম করেন জুলিয়া। এ নিয়ে নানা মুণির নানা মত রয়েছে। তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রায় ২৩ হাজার ফলোয়ার রয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকেই জুলিয়ার বেশ প্রশংসা করেন। তবে অনেকেই তাকে অপছন্দও করেন। এত মাসল মেয়েদের শরীরে নাকি ভালো দেখায় না। যদিও জুলিয়ার এ সব নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই। তার ইচ্ছে শরীরকে যতটা সম্ভব মাসক্যুলার করে গড়ে তোলা। জুলিয়া বলেন, আমি লক্ষ করে দেখেছি, যে সব পুরুষরা আমার নিন্দে করে, তারা আমার এই অ্যাথলেটিসিজমকে সহ্য করতে পারে না। তারা নিছকই হিংসুটে।
