Skip to content

গাজীপুরে সপ্তাহে একদিন মাংসবিহীন দিবস পালনের সিদ্ধান্ত

মুহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক ॥
গাজীপুর : গাজীপুরে জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে গাজীপুর সদর উপজেলার মাংস বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় জয়দেবপুর বাজারে প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার মাংসবিহীন দিবস (পশু জবাই নিষিদ্ধ) পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তাছাড়াও গাজীপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে সপ্তাহে একদিন করে মাংসবিহীন দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় উক্ত সভায়।

২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে উক্ত মতবিনিময় সভায় গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি গাজীপুর জেলা প্রণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. অখিল চন্দ্র, বিশেষ অতিথি ডা. মো. শরীফ, ডা. মো. মোখলেছুর রহমান, ডা. মো. লুৎফর রহমান, গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক-২ মো. মোমিনুল ইসলাম, জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল মিয়া, মাংস বিক্রেতা ও ব্যবসায়ী হাজী মো. আলী, হেলাল উদ্দিন, আবদুল রশিদ, রুবেল মিয়া, শাহজাহান প্রমূখ।

প্রধান অতিথি গাজীপুর জেলা প্রণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. অখিল চন্দ্র বক্তব্যে বলেন, ভেটেরীনারী ডাক্তার দ্বারা পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে নির্দিষ্ট জবাই খানায় গরু, ছাগল, মহিষ জবাই করতে হবে। জবাই খানার বাইরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগাক্রান্ত এবং খাওয়ার অনুপযোগী এবং গাভী, বকনা পশু জবাই করতে পারবে না।

তিনি আরো বলেন, পশু জবাই করে নির্দিষ্ঠ স্থানে মাংস বিক্রি করতে হবে। নির্দিষ্ঠ স্থানে মাংস বিক্রি না করে কোন ব্যবসায়ী এক বাজার থেকে মাংস, মাথা, কলিজা, ভূড়ি ক্রয় করে অন্য বাজার বা রাস্তায় বসে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিক্রি করতে পারবে না। দিনের শেষে মাংস বেশী হলে ফ্রিজে রেখে পরদিন সেই মাংস বিক্রি করতে পারবে না।

উক্ত অনুষ্ঠানের সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জহিরুল ইসলাম মাংস বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি পশু জবাই ও মাংস নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১১ অনুযায়ী ব্যাখ্যা দেন।

ধারা ৩ অনুয়ায়ী বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিক্রির জন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জবাই খানার বাইরে পশু জবাই করতে পারবে না।
ধারা ৮ অনুযায়ী প্রাণীসম্পদ দপ্তরের লাইসেন্স ছাড়া কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মাংস বিক্রয় ও প্রক্রিয়াজাত করতে পারবে না।
ধারা ১৩ অনুযায়ী জবাই খানা বা মাংস ব্যবসায়ী বা কর্মীর ছোঁয়াচে বা সংক্রমন রোগমুক্ত হতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ধারা ২৩ মোতাবেক মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ অনুযায়ী বিচার হবে। বিচারে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হলে ২৫ হাজার টাকা আর্থিকদণ্ড, মালামাল বাজেয়াপ্ত এবং এক বছরের কারাদন্ডেন্ডিত হবেন।

আইন মেনে চলার জন্য সকল মাংস বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেন তিনি।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫