Skip to content

হাজারও মানুষকে কষ্টদিল বাস মালিক সমিতি

স্টাফ রিপোর্টার ॥

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিস্তান সড়কে বাস চলচল বন্ধ করে দেয় বাস মালিকরা। এমনকি সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার বাস চলছে না। যার করণে দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা। জানাযায়, পরিবহন শ্রমিকদের দুই পরে সংঘর্ষের জের ধরে এই অবরোধ।

চরম ভোগান্তি সহ্য করেই পায়ে হেঁটে গন্তবে যায় এসব সাধারণ মানুষ। মালিক সমিতির একরোখা আচরণের শিকার হয় অফিসগামী ও স্কুল কলেজের শিার্থীরা। চরম ভোগান্তি পোহাতে দেখা যায় তাদের।

সারেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই হাজার হাজার যাত্রীসাধারণ যাত্রাবাড়ী মোড়ে বাসের জন্য অপো করছে। কিন্তু বাসের দেখা নেই। তাই বাধ্য হয়ে এসব যাত্রীরা পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা দেয়। অনেকেই ফাইওভার এর উপরে উঠেপড়ে। অনেকে আবার ফাইওভার এর নিচ দিয়ে হেঁটে যায়। সমস্ত এলাকাটি যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

বাস মালিকদের এরকম আচমকা আচরণে ভোক্তভোগী সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চরম ােভ ও হতাশা বিরাজ করতে দেখা যায়। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, বাস মালিকরা যখন চাইবেন যাত্রীদের প্রতি কৃপা করবেন। এটা কেমন গণতান্ত্রিক আচরণ? কোন আইন সেটাকে সমর্থন করে?

ভোগান্তির শিকার এক যাত্রী প্রতিবেদকের কাছে বলেন, ‘ওরা (বাসবালিক) যখন চাইবে বাস চালাবে যখন চাইবে বন্ধ রাখবে। আমাদের যাত্রী অধিকার বলে কোন কথা নাই। রোজা রেখে এতটা পথ হেঁটে গিয়ে অফিস করা খুবই কষ্টের।’

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, মধ্যরাত থেকেই দূরপাল্লার কোনো বাস চলাচল করছে না। তবে ঢাকার অভ্যন্তরীণ রুটের বাসগুলো চলছে। গুলিস্তানে একটি কার্যালয়ের দখল নিয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন এবং ঢাকা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের দ্বন্দ্বের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বঙ্গভবনের পূর্ব দিকে শ্রমিক ইউনিয়নের ওই কার্যালয়টি আগে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

রবিবার রাতে ঢাকা জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন তা দখলে নিলে বিবাদ শুরু হয়। সোমবার দুপুরে শ্রমিকদের দুই পরে সংঘর্ষের কারণে তিন ঘণ্টা হানিফ ফাইওভারে দিয়ে যান চলাচল বন্ধ ছিল। বিকালে পুলিশের হস্তেেপ গাড়ি চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

ওই কার্যালয়টি পুলিশ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বললেও তা এখনও ঢাকার ইউনিয়ন দখল করে রেখেছে বলে দাবি করেন ইউনিক পরিবহনের মহাব্যবস্থাপক। তিনি বলেন, তা নিয়ে গতরাতে উভয় পে দুই দফা বৈঠক হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি।

বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, ২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের জাতীয়ভিত্তিক কোনো ইউনিয়ন থাকতে পারবে না। এর ফলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকারিতা ওখানেই শেষ হয়ে গেছে।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫