জেলা প্রতিনিধি, সিলেট ॥ সিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সুরমা পয়েন্ট থেকে কোর্ট পয়েন্ট পর্যন্ত এলাকা। এই এলাকায় সিলেট জেলা জজ কোর্ট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন, রেজিস্টারি অফিস, বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি ও জালালাবাদ পার্কের অবস্থান।
মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরই ব্যস্ততম এই এলকার যানজট নিরসনে উদ্যোগী হন আরিফুল হক চৌধুরী। ফুটপাত থেকে উচ্ছেদ করেন হকার। রাস্তার দুইপাশে রিকশার
জন্য করেন আলাদা লেন।
এদিকে, রিকশা নিয়ন্ত্রণের জন্য সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবকও নিয়োগ দেয়া হয়। সিটি করপোরেশনের এমন উদ্যোগে কমে আসে যানজট।
কিন্তু গত কয়েকদিন থেকে রিকশা চালকরা নিয়ম ভঙ্গ করে মূল রাস্তা দিয়ে রিকশা চালানোর ফলে যানজট বৃদ্ধি পায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সোমবার মেয়র আরিফ রিকশা নিয়ন্ত্রণ করে যানজট কমাতে নিজেই নামেন রাস্তায়। অবর্তীণ হন ট্রাফিকের ভূমিকায়। সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করেন।
এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘যানজট নিরসনের লক্ষ্যে ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ ও সড়কে রিকশার জন্য আলাদা লেন করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু কয়েক দিন থেকে রিকশা চালকরা নির্ধারিত লেন ব্যবহার না করে মূল রাস্তা দিয়ে চলাচল শুরু করে। ফলে নগরীর প্রাণকেন্দ্র বন্দরবাজার এলাকায় অসহনীয় যানজটের সৃষ্টি হয়।’
তিনি বলেন, ‘রিকশা চালকরা সিটি করপোরেশনের স্বেচ্ছাসেবকদেরও নির্দেশ মানছিলেন না। তাই গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় তিনি রাস্তায় নামেন। নিজে রাস্তায় দাঁড়িয়ে নির্দিষ্ট লেন দিয়ে রিকশা চলাচল করতে বাধ্য করেন।’ বেলা ২টা পর্যন্ত তিনি যানজট নিরসনে এ কাজ করেছেন বলে জানান তিনি।
আরিফ আরো বলেন, ‘অচিরেই সিলেট নগরীর চৌহাট্টা থেকে কোর্ট পয়েন্ট পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে।’ মানুষের হাঁটার অভ্যাস বাড়ানোর জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
