Skip to content

পরিবেশ রক্ষা করে ফ্যাশন শিল্পে টেকসই উৎপাদনের তাগিদ

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
ফ্যাশনপণ্যের টেকসই ব্যবহারের প্রতি গুরুত্বারোপ করার কথা উল্লেখ করে পরিবেশ রক্ষার মাধ্যেমে ফ্যাশন শিল্পখাতে টেকসই উৎপাদনের তাগিদ দিয়েছেন এই খাতের বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে ফ্যাশন খাত নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে আলোচকরা এসব কথা বলেন।

ফ্যাশন রেভুলেশন এবং একশন এইডের উদ্যোগে ‘ভয়সেস অ্যান্ড সল্যুশন : ফ্যাশন শিল্পে টেকসই উৎপাদন এবং ব্যবহারের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি অর্জন’ শীর্ষক এই সেমিনারে মূল প্রবন্ধে উপস্থাপন করেন ফ্যাশন রেভুলেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর নওশীন খায়ের।

তিনি বলেন, ইউএনএফসিসির মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যাশন শিল্পের জন্য গ্রিনহাউজ গ্যাস এবং বর্জ্য নিঃসরণ বৃদ্ধি পাবে ৬০ শতাংশ। ২০৫০ সালের মধ্যে ভোক্তাদের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন হবে বর্তমানে বিদ্যমান প্রাকৃতিক সম্পদের তিনগুণ সম্পদ। তাই নেতিবাচক প্রভাব কমিয়ে আনতে টেকসই ফ্যাশন শিল্পের দিকে ধাবমান হওয়া জরুরি।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন শিল্পের প্রায় তিন ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের বাজার রয়েছে। তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। তবে এই ফ্যাশনই খাতই আবার পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দূষণকারী খাত। ফ্যাশন খাত বিশ্বের ২০ শতাংশ বর্জ্য পানি এবং ১০ শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণের জন্য দায়ী। একই সঙ্গে তুলা চাষ ২০ শতাংশ কীটনাশক বস্তু এবং ১০ শতাংশ কীটনাশক উৎপাদনের জন্য দায়ী। এই খাতে মাত্র ১৫ শতাংশ বর্জ্য পুনরায় ব্যবহার করা যায়। ফলে ৮৫ শতাংশ বর্জ্যই প্রকৃতিতে ফেরত আসে।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন গার্মেন্টস ব্যবসা শুরু করছিলাম তখন আমাদের এ সম্পর্কে সচেতনার শিক্ষা কেউ দেয়নি। আমি যখন নিজেই ৯০ এর দশকের দিকে কোনাবাড়িতে ডাইংয়ের ব্যবসা শুরু করি তখন কিন্তু কেউ আমাকে বলেনি এর পানি কোন দিক দিয়ে প্রবাহিত করব।

মেয়র বলেন, আপনারা জানেন মিরপুর কালশী খালের কথা। আমরা গত ১০ দিনে ৬৫০ টন ময়লা সরিয়েছি, সেখানকার অবস্থা ভয়াবহ। আমরা ইতোমধ্যে ডুবুরি নামিয়েছি ব্রিজের নিচের ময়লা পরিষ্কারের জন্য। আপাতত আমরা এ ময়লাগুলো ল্যান্ডফিল্ডে ফেলছি। বর্জ্যব্যবস্থাপনা সমীক্ষা করে করণীয় নির্ধারণে সবাইকে সচেতনভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

একশন এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবিরের সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিজিএমইএ পরিচালক শরীফ জহির, জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক হাসান, কিউটেক্স সল্যুশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তহুরা খানম প্রমুখ।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫