Skip to content

দুর্লভ পাহাড়ি নীলকান্ত

বাংলাভুমি২৪ ডেস্ক ॥ শ্রীমঙ্গল: শরীরজুড়ে কালচে নীল রঙের শোভা। খুব চমৎকারভাবে কালো ও কালচে নীলের সংমিশ্রণ ঘটেছে পালকে। পাখিটির দিকে তাকালেই লাল চওড়া ঠোঁট সহজে দৃষ্টি কাড়ে। ডানা মেলে ধরলে ডানার মধ্যে সাদা একটি অংশ দু’দিকে ভেসে ওঠে। পাহাড়ি নীলকান্তকে কেউ কেউ পাহাড়ি নীলকণ্ঠও বলেন। এর ইংরেজি নাম ঙৎরবহঃধষ উড়ষষধৎনরৎফ বা উড়ষষধৎনরৎফ।

পাখিটিকে ‘মহাবিপন্ন’ বললেও ভুল বলা হবে না। যারা পাখি বিশেষজ্ঞ অর্থাৎ পাখি নিয়েই নানা কাজ, তাদের চোখেই কম ধরা পড়ে এ পাখিটি। তবে মৌলভীবাজারের রাজকান্দি বনবিটে এবং হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে এ পাখিটিকে দেখেছেন বলে জানান পাখি গবেষক ও আলোকচিত্রী তানিয়া খান জানিয়েছেন।

পাখি বিশেষজ্ঞ, আলোকচিত্রী ও প্রকৃতি বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা রোনাল্ড হালদার বাংলানিউজকে বলেন, পাহাড়ি নীলকান্ত দুর্লভ পরিযায়ী পাখি। গ্রীষ্মকালে সাধারণত বৃহত্তর সিলেট বিভাগে তাদের কম দেখা যায়। তখন তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের বড় পাহাড়গুলোতে চলে আসে। তবে আমাদের দেশে খুব বেশি সংখ্যায় এদের দেখা যায় না।

তিনি আরও বলেন, এর দৈর্ঘ্য ৩০ সেমি এবং ওজন ১৫০ গ্রাম। ছেলে ও মেয়ে পাখির চেহারা একই। এরা ঘন পাহাড়ি এলাকার উঁচু ডালে বসে থাকে। উড়ে উড়ে পোকামাকড় ধরে খায়। এখন তাদের প্রজনন মৌসুম চলছে। ভারত, নেপাল, ভুটান, চীন প্রভৃতি দেশে এদের দেখা যায়।

পাখি আলোকচিত্রী আবু বকর সিদ্দিক বাংলানিউজকে বলেন, চলতি বছরের ২৮ মার্চ আমি কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানের গহিন বন থেকে এ ছবিটি তুলেছি। খুব সৌভাগ্য যে এক ডালে দু’টোকেই বসে থাকতে দেখেছিলাম। ওরা বড় বড় গাছ পছন্দ করে এবং দূরে দূরে থাকে। তাই সহজে চোখে দেখা যায় না। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫