স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, ‘৫ ও ৬ মে হেফাজতে ইসলামে ওপর যে নির্যাতন হয়েছে তা সম্পূর্ণ বেআইনি। সেদিন তাদের কাউকে সতর্কতা না করেই আক্রমণ করা হয়েছে।’
নিজেকে সামরিক বিশেষজ্ঞ দাবি করে হান্নান শাহ বলেন, ‘স্টেনগান, পিস্তল, রাইফেল যদি মারণাস্ত্র না হয়ে থাকে তবে কোনগুলো মারণাস্ত্র। পুলিশ বাহিনীর যেখান অস্ত্র সরবরাহ করা হয় সেখানের একজনের তথ্যে জানতে পেরেছি ওইদিন প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার গুলি ব্যবহার করা হয়েছিল। অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পুলিশের কর্তারা বলেছেন কোনো মারণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি। ওইদিন আপনারা যে রাইফেল নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখানের একটা রাইফেল আমাকে দেন, একটি গুলি দেন। আপনি একশ গজ সামনে দাঁড়ান, আমি দেখি সেটা মারণাস্ত্র কি না। আমি ফায়ার করি দেখি আপনি বেঁচে থাকেন কি মরে যান।’
রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ঈশাখাঁয় বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। ৫ মে হেফাজতে ইসলামের নিহত কর্মীদের স্মরণে দোয়া ও ইফতারের আয়োজন করে দলটি। তবে অনুমতি না নেয়ায় মাহফিলে বাধা দেয় পুলিশ।
হান্নান শাহ বলেন, ‘আমারা জীবিত আছি এই সরকারের সব নির্যাতন সহ্য করে। মুসলমান হয়ে ধর্মকর্ম করতে পারছি না। হেফাজতে ইসলাম করা কি অন্যায়? শত শত লোককে হত্যা করা হয়েছে। এখন তারা বলছে হেফাজতে ইসলাম শেষ হয়ে গেছে কিন্তু মোটেই শেষ হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘আমার কাছে রেকর্ড আছে আওয়ামী লীগের কারা নেপালে গিয়ে ইসরাইলিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।’
ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা ইনামুল হক, যুগ্ম-মহাসচিব আব্দুর রহমান চৌধুরী, প্রধান সমন্বয়ক এসএম নজরুল ইসলাম, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর শাহ আহমাদুল্লাহ আশরাফ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল-নোমান, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মান কাদের চৌধুরী প্রমুখ।
