বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
পার হয়ে গেছে স্বাধীনতার ৪৫ বছর, অথচ এখনো বদলায়নি বীরাঙ্গনা নারীদের জীবনযাত্রা। সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি আর অবহেলায় কঠিন সময় অতিক্রম করে জীবন অবসানের জন্য দিন গুনছেন অনেকেই।
২০১৫ সালে রাষ্ট্র তাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিলেও পরিবর্তন আসেনি দৈনন্দিন জীবনে। এ কারণে ক্ষোভও রয়েছে বীর নারীদের মধ্যে। ৭১’ থেকে ২০১৫। দীর্ঘ ৪৪ বছর বঞ্চনা আর অবহেলার জীবন যাপন করে জীবন সায়াহ্নে এসে পেলেন মুক্তিযোদ্ধার খেতাব। তবে এই খেতাব কতটা কাজে আসবে সে বিষয়ে সন্দিহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত এই সকল অসহায় নারীরা।
১৯৭২ সালে অস্ট্রেলিয়ান ডা. জিওফ্রে ডেভিস তার প্রতিবেদনে নির্যাতিত নারীর সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ বলে উল্লেখ করেন। সে সময় তিনি নির্যাতিত নারীদের সেবা দেয়ার জন্যই বাংলাদেশে এসে প্রায় ২ লাখ নারীর গর্ভপাত করিয়েছিলেন।
গবেষকরা বলছেন, সব জায়গা থেকে বিচ্ছিন্ন এই নারীদের প্রয়োজন সরকারের পক্ষথেকে দ্রুত সহযোগিতা।
গবেষক মো. দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পরে হলেও এটি সরকারের একটি শুভ উদ্যোগ। আমরা সব সময়ই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছি। আমরা আমাদের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেই তাদের সহযোগিতা করেছি।’
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হিসেব মতে, ৪০০ জন নারীকে ইতোমধ্যেই দেওয়া হয়েছে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি। শীঘ্রই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সকল সুযোগ-সুবিধা পাবেন তারা।
আগামী ৩ বছর চলমান থাকবে বীরাঙ্গনা নারীদের নামের তালিকা হালনাগাদ। -তথ্যসূত্র : সময় টিভি
