নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুরের স্বাস্থ্য পরিদর্শক জিয়াউল হক কি সংঘবদ্ধ চক্রান্তের শিকার? কোনো চক্র কি তাকে হটিয়ে লুটপাটের মচ্ছব চালাতে চায়? ওই স্বাস্থ্য পরিদর্শকের বিরুদ্ধে অভিন্ন অভিযোগ তুলে একযোগে সংবাদ প্রচার-প্রকাশের ঘটনায় এমন প্রশ্ন উঠেছে।
মহাখালীর সিবিএইচসি কর্তৃক কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং বেতন-ভাতা স্থগিত রাখায় ক্ষিপ্ত এক কর্মচারী এ ষড়যন্ত্রের মূলে রয়েছে তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
গাজীপুর সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের পশ্চিম এনায়েতপুর কমিউনিটি ক্লিনিক এর সিএইচসিপি মাজহারুল ইসলামের দায়িত্বে অবহেলার কারণে মহাখালীর সিবিএইচসি কর্তৃক কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং বেতন-ভাতা স্থগিত রয়েছে। নিজের অপরাধ ঢাকতে ক্ষোভের বশবর্তি হয়ে মিথ্যা তথ্যের অপপ্রচারে মেতে উঠেছেন তিনি। কর্তৃপক্ষ বিগত ১৬ এপ্রিল থেকে স্বাস্থ্য পরিদর্শক শাহনাজ আখতারকে ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব দিলেও সেখানে পরিদর্শক জিয়াউল হককে ইনচার্জ হিসেবে আখ্যায়িত করার বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। উৎকোচের বিনিময়ে ছুটি, শোকজ, অ্যাবসেন্ট ইত্যাদি করার ক্ষমতা না থাকলেও সেসব ব্যাপারে জিয়াউল হকের উপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এ নিয়ে জেলার স্বাস্থ্য পরিদর্শকসহ সাধারণ স্বাস্থ্য কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে চক্রান্তকারী মাজহারুল ইসলামের বিষয় তদন্তপূর্বক কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন।
ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্য কর্মীরা অভিযোগ তুলে জানান, ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের নামে উক্ত মাজহারুল জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনকে বিতর্কিত করার পাঁয়তারা চালিয়েছে। তার অপরাধ হালকা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বিতর্কিত ওই কর্মচারী মূলত সংবাদ প্রকাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে গাজীপুরের স্বাস্থ্য প্রশাসনকে জিম্মি করে ফায়দা হাসিল করতে চান। এ ব্যাপারে বারবার যোগাযোগ করলেও অভিযুক্ত মাজহারুল কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
