সীতাকুণ্ডে কোহিনুর শিপইয়ার্ডের দখল করা ১১৩ একর বনভূমি উদ্ধার করে, অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে নানা জাতের গাছ লাগিয়ে দিয়েছে উপকূলীয় বন বিভাগ।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন জবর দখলে রাখা সরকারি ওই বনভূমি পুনরুদ্ধার অভিযানের নেতৃত্ব দেন সদরের সহকারী বন সংরক্ষক। এতে অংশগ্রহণ করেন উপকূলীয় বন বিভাগের সদর, সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই রেঞ্জের ৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। অভিযানে সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও বিদ্যুৎ বিভাগের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী সহযোগিতায় ছিলেন।
অভিযানে অবৈধভাবে নির্মিত একটি দুই তলা ভবনসহ একাধিক স্থাপনা সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি দখলকৃত বনভূমিতে স্থাপিত দুইটি গেটসহ সকল কাঠামো উচ্ছেদ করা হয়।
উদ্ধারকৃত জমিতে তাৎক্ষণিকভাবে বন বিভাগ ১ হাজার ২০০টি বনজ চারা রোপণ করে—যার মধ্যে রয়েছে ৬০০টি ঝাউ, ৪০০টি করমজা ও ২০০টি হিজল চারা। দিনব্যাপী এই অভিযান সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে সফলভাবে শেষ হয়।
বনভূমি রক্ষায় সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দখলদারদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলেও মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
