কিশোরগঞ্জ থেকে ছাইদুর রহমান নাঈম:
বড় দুই দলের মধ্যে পার্থক্য হলো একদল শাহী চোর আরেক দল ছ্যাচরা চোর। নেতারা অপকর্ম করলে আমরা জনগণ ফুলের মালার পরিবর্তে জুতার মালা পড়িয়ে দিলে অপকর্ম হতোনা৷ আগে যারাই ক্ষমতায় ছিলো তাদের নেতাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হলেও জনগণ ও দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি৷ বিগত সময় যারাই ক্ষমতায় এসেছে সৈরাচারের ইতিহাস যেমন রয়েছে তেমনি দূর্নীতিতে বার বার চ্যাম্পিয়ন হবার নজির রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর সিনিয়র মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই।
২০ জুলাই রবিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এই বক্তব্য দেন। জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সৈয়দ ফয়জুল করীম আরো বলেন, আমাদের বিপক্ষের দুশমন কেউ হলেও কাউকে দেশছাড়া করতে চাই না। কিন্তু বহুদলীয় মত ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি করা একটি দল তাদের মতের বিরুদ্ধে গেলেই হামলা করা ও দেশছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে। চাঁদাবাজিতে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। এই সত্যিটা বলতে গেলেই আমরা ভালো না। যাদের কাছে বিরোধী মতের কেউ নিরাপদ নয় তাদের কাছে দেশের মানুষ কিভাবে নিরাপদ থাকবে?। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কাছে সব দলের মানুষ নিরাপদ। একে অপরের ভুল ধরিয়ে দেওয়া হলো গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমাদের ভুল থাকলে এগুলো ধরিয়ে দিন।
সৈয়দ ফয়জুল করীম আরো বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব কখনো কাউকে কটুক্তি করে বক্তব্য দেন নি। তিনি ভদ্র রাজনীতি করে যাচ্ছেন৷ কিন্তু নিচের কতিপয় নেতা বিএনপির আদর্শ থেকে দূরে গিয়ে তাদের বক্তব্য দলকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জ জেলার সভাপতি মুহাম্মাদ রবিউল ইসলাম শাহিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ এর সেক্রেটারি জেনারেল মুফতী মানসুর আহমদ সাকী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (মোমেনশাহী বিভাগ) মুফতি এহতেশামুল হক আজিজী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জ জেলার প্রধান উপদেষ্টা মুফতি আজিজুলর রহমান (জার্মানি), জেলা সভাপতি প্রভাষক মাওলানা আলমগীর হোসাইন সহ আরো অনেকেই।
