স্টাফ রিপোর্টার:
ইউসুফ (আ.)—এর আদর্শে দেশ পরিচালনায় ভূমিকা রাখতে চান মাওলানা এমএ করিম। মন্ত্রী বা উপদেষ্টা হয়ে শাহজালালের পথে উড়াল দিতে চান মাওলানা এমএ করিম ইবনে মছব্বির ।
হযরত ইউসুফ (আ.)—এর ন্যায়, সততা ও দূরদর্শী রাষ্ট্র পরিচালনার আদর্শ অনুসরণ করে দেশের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন মাওলানা এমএ করিম। তিনি বলেছেন, সুযোগ পেলে মন্ত্রী বা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জনগণের সেবা এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে চান।
মাওলানা এমএ করিম বলেন, সূরা ইউসুফের ৫৫ নম্বর আয়াতে ইউসুফ (আ.) বলেছেন, ‘আমাকে দেশের ভাণ্ডারসমূহের দায়িত্ব দিন; আমি একজন বিশ্বস্ত ও জ্ঞানসম্পন্ন রক্ষক।’ এই আদর্শ থেকেই দক্ষ, সৎ ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্বের গুরুত্ব শেখা যায়।
মিসরে দুর্ভিক্ষের পূর্বাভাস পাওয়ার পর ইউসুফ (আ.) জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তিনি সমৃদ্ধ বছরের ফসল সংরক্ষণের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলার ব্যবস্থা করেন, যা অর্থনৈতিক দূরদর্শিতার অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত।
এক বক্তব্যে মাওলানা এমএ করিম বলেন, ‘হযরত ইউসুফ (আ.) রাষ্ট্র পরিচালনায় সততা, জ্ঞান, দক্ষতা এবং জনকল্যাণের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সেই আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করতে চাই।’
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইউসুফ (আ.)—এর প্রশাসনিক আদর্শের প্রসঙ্গ টেনে মাওলানা এমএ করিমের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করতে পারে।
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, পদ—পদবিই তার লক্ষ্য নয়; বরং দেশের স্বার্থ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই তার মূল উদ্দেশ্য।
তিনি মন্ত্রী বা উপদেষ্টার দায়িত্ব পাওয়ার ১ম কার্যদিবস থেকে লাগাতার ৪০ দিন নফল রোজা পালন করবেন।
