Skip to content

এবার নৌ-পথে ভারত ভ্রমণ

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
ঢাকা: রেল ও সড়ক পথের পর এবার অভ্যন্তরীণ নৌ-পথে ভারত ভ্রমণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে দেশটির সঙ্গে নৌপথে শুধু পণ্য পরিবহন চুক্তি রয়েছে। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিদ্যমান নৌ-প্রটোকলের আওতায় যাত্রীরাও দেশটিতে ভ্রমণে যেতে চান। দ্বি-পাক্ষিক এ চুক্তিকে ব্যবহার করে যাত্রী পরিবহনের উপায় খুঁজছে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক ও পর্যটন খাতের বিকাশের স্বার্থে ভবিষ্যতে দু’দেশের নৌ-পথে যাত্রী পরিবহনের বিষয়টি চিন্তা করছে উভয় দেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, বিদ্যমান নৌ-প্রটোকল এবং দুই দেশের মূল বাণিজ্য চুক্তির মধ্যে যাত্রী পরিবহনের কোনো ব্যবস্থা নেই। তবে দু’দেশের আগ্রহে বিষয়টিকে প্রতিষ্ঠানিক রূপে নিযে আসা আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে উভয় দেশের পর্যটন শিল্প বিকাশে যাত্রী পরিবহনের বিষয়টিকে যোগ করার আলোচনা চলছে।

সূত্র আরও জানায়, একসময় ভারতের গৌহাটি থেকে কলকাতায় একটি জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণে আসে। এই জাহাজে করে বাংলাদেশের পর্যটক পরিবহনের অনুমতি চায় ভারত। সে সময় বাংলাদেশের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দেরি হওয়ায় বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ নেয়নি।

এদিকে যাত্রী পরিবহনের বিষয়টি মাথায় রেখে এ বিষয়ে এরই মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাত্রী পরিবহনে বাংলাদেশের সম্ভাব্য বন্দর হিসেবে মংলা, সিরাজগঞ্জসহ মোট ৫টি ঘাটকে প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বলেন, ১৯৭২ সালের মূল বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ভারত নৌ-প্রটোকল চুক্তিটি। মূল বাণিজ্য চুক্তিতে যাত্রী পরিবহনের কোনো সুযোগ না থাকায় নৌ-যানে যাত্রী পরিবহনের জন্য মূল বাণিজ্য চুক্তিতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

জানা গেছে, এরই মধ্যে নৌ-পথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্টকে মাথায় রেখে নৌ-প্রটোকল চুক্তিটি ১০ বছরের মেয়াদে স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। ২০১৫ সালের মার্চে বিদ্যমান চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের ১৯৭২ সালের বাণিজ্য চুক্তির আওতায় কম খরচে নৌ-পথে পণ্য পরিবহনের জন্য প্রথম এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দুই বছর পরপর চুক্তিটি নবায়ন করা হতো। তবে ২০১৩ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশীদের দ্বিপাক্ষিক সফরে বাণিজ্য চুক্তিটির মেয়াদ ৩ বছর করা হয়। এবারই নৌ-পরিবহন চুক্তিটি বাণিজ্য চুক্তি থেকে আলাদা করে ১০ বছর মেয়াদী করার প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত।

তবে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দু’দেশের কর্মকর্তা পর্যায়ের এক বৈঠকে প্রটোকলটির মেয়াদ পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় ভারত। তাতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ। মূলত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নৌ-প্রটোকলের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির নবায়ন মেয়াদও বাড়ানোর দাবি জানানো হয়।

কারণ, নৌ-প্রটোকল চুক্তিটি বাণিজ্য চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। জানা যায়, ভারত নৌ-প্রটোকলের আওতায় নৌ-পথ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ১০ কোটি টাকা দিচ্ছে। ২০১২ সালের আগ পর্যন্ত এর পরিমাণ ছিল ৫ কোটি টাকা। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫