Skip to content

লা লিগার শিরোপা উৎসবে বার্সেলোনা

স্পোর্টস ডেস্ক ॥
লা লিগায় আতলেতিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্প্যানিশ লা লিগার শিরোপা উৎসবে মেতে উঠেছে বার্সেলোনা। মেসির দেয়া গোলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বার্সার সমর্থকদের মনে বইছে খুশির জোয়ার। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জনের দিনে বার্সার সমর্থকদের মনে অনেক স্মৃতিই উকিঝুঁকি দিচ্ছে। ঠিক এক বছর আগে বার্সেলোনার মাঠে ১-১ গোলে ড্র করে লা লিগার শিরোপা জয় নিশ্চিত করেছিল আতলেতিকো। এবার আতলেতিকোকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে জয়োল্লাসে মাতোয়ারা বার্সা। শুধু লা লিগা নয়, কোপা দেল রে আর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠায় এ মৌসুমে ট্রেবল জয়ের সম্ভাবনার সামনে দাঁড়িয়ে লুইস এনরিকের শিষ্যরা।

এদিকে, রোনালদোর হ্যাটট্রিকে এস্পানিওলকে ৪-১ গোলে হারালেও রিয়াল মাদ্রিদকে এবার রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।
এস্পানিওলের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি। ৫৯ মিনিটে রোনালদো গোল করলেও ৭৩ মিনিটে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান ক্রিস্তিয়ান স্তুয়ানি। ৭৯ মিনিটে মার্সেলোর গোলে আবার এগিয়ে যায় লা লিগার রেকর্ড ৩২ বারের চ্যাম্পিয়নরা। ৮৩ ও ৯০ মিনিটে রোনালদো গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন, দলকে জয়ও এনে দিয়েছেন। তবে এই জয় শুধু আক্ষেপই জাগাবে রিয়াল-সমর্থকদের মনে!
২৩তম লিগ শিরোপা নিশ্চিত করা বার্সার ৩৭ ম্যাচ থেকে ৯৩ পয়েন্ট। সমান ম্যাচ খেলে রিয়ালের পয়েন্ট ৮৯। ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে গতবারের চ্যাম্পিয়ন আতলেতিকোর অবস্থান তৃতীয়। তিন দলেরই আর একটি করে ম্যাচ বাকি।
আতলেতিকোর মাঠে একটা সমীকরণ নিয়েই খেলতে নেমেছিল বার্সেলোনা—জিততেই হবে! গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ৬৫ মিনিটে দারুণ এক পরিকল্পিত আক্রমণ থেকে দলকে এগিয়ে দেন চারবারের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার মেসি।
গোলটির কিছুক্ষণ পর নেইমার একটা সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে ব্যবধান ২-০ হয়ে যেতে পারত। শেষ দিকে মেসির দুর্দান্ত ফ্রি-কিক আতলেতিকোর গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দেওয়ায় এক গোলের জয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় বার্সাকে।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫