বিনোদন ডেস্ক ॥
ঢাকা: একই সঙ্গে লাভস্টোরি ও শহরের দুটো ছেলে মেয়ে আকাশ-অঞ্জলির গল্প। দু’জনের মতের বিরুদ্ধে তাদের বিয়ে হয়। ফলত বিবাহিত জীবন সুখের হয় না। কিন্তু পরিবার ও প্রতিবেশী বন্ধুদের সামনে তারা সুখী দম্পতির অভিনয় করে। অভিনয় করতে করতেই একসময় অঞ্জলি স্বামী আকাশকে ভালোবেসে ফেলে। কিন্তু আকাশ গররাজি।’
এমনই ভালোবাসা ও পরিবারের স্বামী-স্ত্রীর কাহিনী নিয়ে শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে অঙ্কুশ এবং মিমি অভিনীত সিনেমা ‘কি করে তোকে বলবো’।
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রবি কিনাগি।
ছবির বিষয়ে কথা প্রসঙ্গে অঙ্কুশ বলেন, রবিজির সঙ্গে দ্বিতীয়বার কাজ করলাম। ওর মতো সিরিয়াস পরিচালকের সঙ্গে কাজ করলে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পাওয়া যায়। আমিও অনেক কিছু শিখেছি।’
তিনি আরও বললেন, ছবিতে আমি রেডিও জকি আকাশ। যদিও ছবিটা রেডিও জকিকে নিয়ে নয়। এটা মূলত ফ্যামিলি সেন্টিমেন্ট কেন্দ্রিক। ইদানিং বাংলা ছবিতে মারপিট, সুপারহিরোর গল্পের তুলনায় ফ্যামিলি ড্রামা বেশি চলছে। আগেকার বাংলা ছবিও পরিবারকেন্দ্রিক হত। সেই ট্রেন্ডটাই ট্রেন্ডটাই আবার ফিরেছে। দক্ষিণী রিমেক চলছে না। কি করে তোকে বলবো একেবারেই পরিবারকেন্দ্রিক। আকাশ-অঞ্জলির বিবাহিত জীবণের সমস্যা ও তার সমাধানই মূল বিষয়। দু’জনের অতীত জীবন তাদের সংসারে প্রভাব ফেলে। আকাশ আর জে হওয়ায় যে কোনও সমস্যা সে দ্রুত সমাধান করতে পারে।
মিনি এই ছবিতে অঙ্কুশের বিপরীতে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘অঙ্কুশ আমার খুব ভালো বন্ধু। তাই কাজটা মজা করেই উতরে গেছে। কাটমুণ্ডু ও শুধু তোমারই জন্য’র সাফল্য ইন্ডাস্ট্রিতে মিমির জায়গাটা আরও বেশি মজবুত করেছে। সেই সাফল্য এই ছবিতেও কি বজায় থাকবে? মিমির বক্তব্য—‘ছবি সফল হওয়াটা অনেকটাই দর্শকের হাতে। তবে আমরা সবসময়ই চাই আমাদের ছবি চলুক। সবসময় ভালো কাজ করতে চাই। কি করে তোকে বলবো’তে রবিজির সঙ্গে তেমনি একটা ভালো কাজ করেছি। চাইব সবাই ছবিটা দেখুন। কিন্তু সাফল্যটা আমাদের হাতে নেই, শুধু অভিনয়টুকুই আমাদের কাজ।’
ছবির জন্য ক্যামেরা করেছেন কুমুদ বর্মা। চিত্রনাট্য পরিচালকের নিজস্ব। সংলাপ কাজরী দত্ত’র। সম্পাদনা মহম্মদ কালামের। কোরিও গ্রাফি বাবা যাদবের। ফাইট মাস্টার জুডো রামু। অন্যান্য ভূমিকায় রয়েছেন— শঙ্কর চক্রবর্তী, শান্তিলাল মুখার্জি, রেশমি সেন, খরাজ মুখার্জি, ভরত কল, সুজয়, মানসী সিনহা, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, বিশ্বনাথ বসু প্রমুখ। প্রযোজক মহেন্দ্র সোনি ও শ্রীকান্ত মোহতা।
