বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
নাসিরনগর হামলায় আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করলেও নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নাকচ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। এর পাশাপাশি প্রশাসনের অবহেলাকে দায়ী করে, তার সর্মথকরা এতে জড়িত থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে এ হামলায় যে-ই জড়িত থাক না কেন বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।
নাসিরনগরে মন্দির ও হিন্দু বাড়িতে হামলা রাজনৈতিক দ্বন্দে। বিষয়টি উঠে এসেছে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনেও।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এ হামলার পেছনে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হকের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদ সদস্য উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর দ্বন্দ্ব। এছাড়া, মোকতাদির সমর্থকদের নামও এসেছে নানা প্রতিবেদনে।
তবে মোকতাদির চৌধুরী দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা স্বীকার হয়েছেন তিনি। আর প্রশাসনের অবহেলার কারণেই তুচ্ছ এই ঘটনা রূপ নেয় সহিংসতায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আওয়ামী রীগের সভাপতি উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘আমার সমর্থকও যদি কেউ থাকে বা ব্যক্তিগতভাবে আমার কোন ভক্ত যদি এধরনের কাজ করে থাকে আমি তাকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য বলব। দাঙ্গাকে কেন্দ্র করে যারা দ্বন্ধকে সামনে নিয়ে আসছে তারা আসলে মূল অপরাধীরে আরাল করতে চাইছে। দ্বন্ধের কোন বিষয় এখানে নেই। দ্বন্ধ যেটা আছে সেটা সাংগঠনিক’।
গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে নতুন কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনার বিষয়টিকেও ভিত্তিহীন বলে নাকচ করেন তিনি।
তবে কেন্দ্র জানিয়েছে, পুলিশের পাশাপাশি দলীয়ভাবেও এ ঘটনার তদন্ত চলছে।
এদিকে যোগাযোগ করা হলেও এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক।
সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট টিভি.
