স্টাফ রিপোর্টার ॥
রমজানে শুরু থেকে তিন স্তুরের নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে রাজধানী। এ ধাপগুলো হলো সকাল থেকে ইফতার পর্যন্ত, ইফতারের পর থেকে তারাবির নামাজ এবং সেহরীর সময়। এ সময়গুলোতে ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধে থাকবে আলাদা নজরদারি। এ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
পুলিশ সদর দফতরে সারাদেশে রোজায় নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠকের পর ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদার করতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। কমিশনারের নির্দেশ পাওয়ার পরপরই ডিএমপির ৮ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনাররা ওসিদের নিয়ে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেছেন।
জানা যায়, আসন্ন পবিত্র রমজান মাস ও ঈদ-উল-ফিতর নিরাপদে নির্বিঘ্নে উৎসব ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক। মঙ্গলবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র রোজা ও ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।
পুলিশ সদর দফতরের সিদ্ধান্ত:
সভায় ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রোধে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রেলওয়ে স্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে পকেটমার ও অজ্ঞানপার্টির তৎপরতা প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বড় বড় শহরে বিপণী বিতান ও শপিংমল যথাসম্ভব সিসিটিভির আওতায় এনে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। জনসাধারণের কেনা-কাটার সুবিধার্থে এবং তারাবির নামাজের সময় অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে গভীর রাত পর্যন্ত পর্যাপ্ত নৈশ টহলের ব্যবস্থা করা হবে। ব্যাংক ও অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে পুলিশ জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
