Skip to content

দবর্তমানে নীতিনিষ্ঠ, ন্যায়নিষ্ঠ, উদ্যোগী, সাহসী সাংবাদিকতা দেখতে পাই না’

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, কোন সাংবাদিকের এক সাথে রাজনীতি ও সাংবাদিকতা করা উচিত নয়। সাংবাদিক যদি সংসদ সদস্য হন, তাহলে তাকে রাজনীতি নিয়ে থাকা উচিত । সাংবাদিকতা ছেড়ে দেওয়া উচিত আমি মনে করি। সংবাদপত্র সাংবাদিকতাকে কখনোই মেলানো উচিত না। সংবাদপত্র সব সময় স্বাধীন নিরপেক্ষ প্রগতির পক্ষে কাজ করবে।

রাহুল রাহার সঞ্চালনায় চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের নিয়মিত অনুষ্ঠান মুক্তবাকে ‘রাজনীতি ও সাংবাদিকতা’ বিষয়ক আলোচনায় তিনি একথা বলেন।

নির্বাচনে ইভিএম ও সেনা মোতায়েন নিয়ে জানতে চাইলে মতিউর রহমান বলেন, নির্বাচনে ইভিএম ও সেনা মোতায়েন নিয়ে দুই বড় রাজনীতিক শক্তি ঐক্যমত হয়ে সিদ্ধান্তে আসে সেটা ভালো হয়। আর রাজনীতিক দল যদি সিদ্ধান্তে না আসতে পারে। তাহলে নির্বাচন কমিশন এই বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। আর সব রাজনীতিক দল সেটা মেনে নেবে। আমি সেটা মনে করি।

আমাদের দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এটা বিচার করার অধিকার আমাদের দেশের সরকারের, বিচার বিভাগের। সেই বিচার নিয়ে কেউ তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করার পথ রয়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। যুদ্ধপাধীর বিচার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একজন অপদেষ্টা দু’বার আমাদের দেশে এসে প্রকাশ্যে এই বিচারকে সমর্থন জানিয়েছে। আমাদের দেশে যুদ্ধাপরাধী ও গণহত্যার বিচার হয়েছে। তাতে আন্তর্জাতিক সর্মথনও রয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে মতিউর রহমান বলেন, যুদ্ধাপরাধীর বিচার আগে কখনো তো হয়নি। বর্তমান সরকার বা সরকার প্রধান যুদ্ধাপরাধীর বিচার করেছে বলে আমরা জানি। এই বিষয়ে নানা পরামর্শ ও চাপ ছিলো বলা যায়। সেই চাপের কাছে তিনি মাথানত করেনি।

আরেক প্রশ্নের জবাবে মতিউর রহমান বলেন, আামদের দেশে বর্তমান সরকারের দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু কথা হলো উন্নয়নের সঙ্গে দেশে সুশাসন আছে কিনা। আমরা কাঠামোগত উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি। মানুষের গড় আয়ু, মাথাপিছু আয় বাড়ছে। তার বিপরীতে কি দুর্নীীত, বিদেশে টাকা পাচার কমেছে, আইশৃঙ্খলা কি উন্নতি হয়েছে, সুশাসনে অগ্রগতি হচ্ছে, গুম হত্যা বা ক্রমফায়ার বন্ধ হয়েছে, না হয়নি। আমরা উন্নয়ন অগ্রগতি চাই, সেই সাথে গণকান্ত্রিক বিধান মত সুশাসনও চাই। সুশাসন ছাড়া উন্নয়ন টেকসই হয় না। আবার উন্নয়নের জন্য সুশাসন দরকার।

যত দিন আমাদের দেশে গণতন্ত্র, সুশাসন, স্থিতিশীল অবস্থান হবে। সে সময় এটা থাকবে না। যেহেতু বিদেশীদের কাছে আমাদের সরকার বা বিরোধীরা যাই,তাদের কথঅ গুরুত্ব দেয়। তাদের কাছে সমর্থন, সাহায্য সহযোগীতা চায়। ততদিন সংবাদ মাধ্যমও এই আগ্রহটা থাকবে। গণমাধ্যমে যা বলেছে সেই কথা আবার মিলিয়ে দেখবে। সে দিক দিয়ে তার একটা বাস্তবতা আছে।

কোন সাংবাদিকের এক সাথে রাজনীতি ও সাংবাদিকতা করা উচিত নয়। সাংবাদিক যদি সংসদ সদস্য হন তাহলে তাকে রাজনীতি নিয়ে থাকা উচিত । সাংবাদিকতা ছেড়ে দেওয়া উচিত আমি মনে করি। সংবাদপত্র সাংবাদিকতাকে কখনোই মেলানো উচিত না। সংবাদপত্র সব সময় স্বাধীন নিরপেক্ষ প্রগতির পক্ষে কাজ করবে।

বর্তমানে দেশের রাজনীতিক পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের একটা বড় ভূমিকা আছে। কিন্তু আমরা যদি অতীতের মত দেখি নীতিনিষ্ঠ, ন্যায়নিষ্ঠ, উদ্যোগী, সাহসী সাংবাদিকতা দেখতে পাই না।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫