আন্তর্জাতি ডেস্ক ॥
স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাম রহিম সিংয়ের বৈচিত্র্যপূর্ণ নানা কর্মকাণ্ড সামনে আসতে শুরু করে ২৫ আগস্ট শুক্রবার ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণার পর থেকে। তবে এবার গুরুর পক্ষ থেকে করা একটি আবদার বাকি সব ঘটনাকে ছাপিয়ে গেছে। বিচারকের কাছে পালিতকন্যার সঙ্গে জেলে রাত্রিবাসের আবদার জানান তিনি। পালিতকন্যা হানীপ্রীত ইনসানের পক্ষ থেকেও অবশ্য একই দাবি করা হয়।
২৮ আগস্ট সোমবার ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে জেলের মধ্যে বসানো বিশেষ একটি আদালত ধর্ষণ মামলার সাজা হিসেবে ২০ বছরের জেল এবং আর্থিক জরিমানা করে গুরমিত সিংকে। বিচারক জগদীপ সিং সাজা ঘোষণা করেন। ২০০২ সালে তার বিরুদ্ধে দুই নারী ভক্তকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছিল।
সাজা ঘোষণা করার পর নিজেকে নির্দোষ দাবি করে কেঁদে কেঁদে ক্ষমা চাইতে থাকেন তিনি। এসময় শরীরের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাটিতে পড়ে যান তিনি, ছাড়তে চাচ্ছিলেন না আদালত কক্ষ।
ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত ঘোষণায় গ্রেফতারের পর থেকে পালিত কন্যা হানীপ্রীত ইনসান আধ্যাত্মিক এ গুরুর সঙ্গেই ছিলেন। তবে সাজা ঘোষণার পর তিনি (রাম রহিম সিং) যে আবদার করলেন তা কেউই প্রত্যাশা করেনি! পালিতকন্যাও বিচারকের কাছে একই দাবি জানালে আদালত জানায়, ‘ধর্ষণ মামলার আসামির সঙ্গে কেউ থাকতে পারবে কিনা সরকার অথবা জেল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া বিচারকদের কাজ নয়।’
পরে কর্তৃপক্ষ হানীপ্রীতকে একসঙ্গে থাকতে দেওয়া হবে না বলে আবদার প্রত্যাখ্যান করলে জেলের কর্তব্যরতদের বহিষ্কারের হুমকি দেন স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক এ গুরু।
