বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতালের প্রথম দিন বুধবার প্রথম প্রহরে বিভিন্ন স্থানে জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষ হয়েছে। অনেক স্থানেই গাড়িতে আগুন দিয়েছে জামায়াত কর্মীরা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের হাতে আটক হয়েছে অনেক জামায়াত-শিবিরের হরতাল সমর্থনকারী। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ কুমিল্লা, রাজশাহী, ঝিনাইদাহ, নোয়াখালী, জয়পুরহাট, গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা জামায়াত-শিবিরের হরতালে মিছিল করার কথা শোনা গেছে। বিস্ফোরণের সময় রাজধানীর মিরপুর কালশী রোড থেকে তিন শিবির কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে হরতালের ঝটিকা মিছিল বের করে ঢাকা মহানগর পল্লবী থানা শাখা শিবির। এসময় তারা মিছিল থেকে পর পর চারটি ককটেল বিস্ফোরণ করে। পালানোর সময় শিবিরের তিন কর্মীকে আটক করে পল্লবী থানা পুলিশ।
ঘটনার পর পল্লবী থানার পল্লবী বিদ্যা নিকেতনের আশপাশ, কালশী মোড় ও সাংবাদিক আবাসিক এলাকা সংলগ্ন এলাকায় ব্যপক তল্লাসি চালায় পুলিশ।
নোয়াখালী জেলা শহরের দত্তেরহাট এলাকায় ৫টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে শিবির কর্মীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় দত্তেরহাট বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবু বিন আজেল (১৮) নামে শিবিরের এক কর্মীকে আটক করে পুলিশ। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বুধবার সকাল ৯টার দিকে মুজিবনগরের দারিয়াপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- মেহেরপুর জেলা জামায়াতের আমীর তাজউদ্দিন খান, মুজিবনগর উপজেলা জামায়াতের সুরা সদস্য ও রুকন শাহরিয়ার হোসেন বুলেট, জামায়াত কর্মী শফিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, আব্দুল মান্নান ও ফিরাতুল ইসলাম।
বুধবার সকাল সাড়ে ৬টায় তেজগাঁও বিজ্ঞান কলেজের সামনে থেকে ১৫-২০ জন শিবির কর্মী একটি মিছিল বের করেন। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দ্রুত সটকে পড়েন।
বুধবার সকাল সাড়ে ৬টায় তেজগাঁও বিজ্ঞান কলেজের সামনে থেকে ১৫-২০ জন শিবির কর্মী একটি মিছিল বের করেন। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দ্রুত সটকে পড়েন।
