Skip to content

কাদঁলেন শামীম ওসমান

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুব কাছ থেকে দেখা ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কাদঁলেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। হঠাৎ করেই আবেগাপ্লুত হয়ে আওয়ামী লীগের দোর্দণ্ড প্রতাপ এই নেতার চোখ বেয়ে পানি ঝরতে শুরু করলো। আবেগঘন বক্তৃতায় পিন পতন নীরবতার মাঝেই দেখা গেল অনেকের চোখেই তখন পানি।

আজ মঙ্গলবার বিকালে ফতুল্লাধীন কাশীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৭, ৮, ও ৯ নং ওয়ার্ডের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এভাবে কাদঁলেন।

শামীম ওসমান তার বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে দীর্ঘদিন। তার মত খোদাভীরু ও দেশপ্রেমিক মানুষ আমি খুব কম দেখেছি। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে তিনি এদেশের সাধারণ মানুষের মাঝেই তার পরিবারকে খুঁজে বেড়ান।

শামীম ওসমান বলেন, অনেক সময় দেখেছি তিনি কিভাবে এদেশে একেবারে সাধারণ মানুষদের বুকে জড়িয়ে ধরেন। একদিন তিনি কয়েকজন বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে আসতে দেখে তাদের কাছে ডেকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। এরপর হঠাৎই তার চোখে পানি দেখে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম আপা কেন কাদঁছেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছিলেন, শামীম আমার বাবা, মা, ভাই, বোন কেউ নেই। এদেশের জন্য তারা জীবন দিয়েছেন।

কোন বৃদ্ধ লোক যখন আমার মাথায় হাত বুলায় মনে হয় যেন আমার বাবা আমাকে দোয়া করছেন! কোন বৃদ্ধাকে যখন বুকে জড়িয়ে ধরি মনে হয় আমার মা আমাকে পরম স্নেহে জড়িয়ে ধরেছেন। ছোট ছোট শিশুগুলো যখন আমাকে দেখে `হাসিনা`, `হাসিনা` বলে চিৎকার করে তখন মনে হয় আমার রাসেল আমাকে ডাকছে। তাই জীবনের শেষ দিনটিও আমি এদেশের মানুষের জন্য বিলিয়ে দিতে চাই। এসব বলার সময় শামীম ওসমানের চোখ বেয়ে পানি পড়ছিলো আর আবেগঘন বক্তব্যে উপস্থিত অনেকেই তখন চোখ মুছছিলেন।

কর্মীসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি চন্দন শীল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম প্রমূখ। সূত্র: একুশে টেলিভিশন

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫