বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ গোপালগঞ্জে আঁখি চৌধুরী নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর শরীরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় আঁখি যে ঘরে ছিল সে ঘরটিরও কিছু অংশ আগুনে পুড়ে গেছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিত্সক তাকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টার দিকে সদর উপজেলার আন্ধারকোটা গ্রামে আঁখির নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। সে ওই গ্রামের কৃষক মাখন লাল চৌধুরীর মেয়ে ও নিজড়া সপ্তপল্লী বি,কে হাই স্কুলের এসএসসি পরিক্ষার্থী।
ওই ছাত্রীর পিতা জানিয়েছেন, এক বখাটে যুবক বেশ কিছু দিন ধরে তার মেয়েকে প্রেমের প্রস্তার দিয়ে আসছিল। কিন্তু আঁখি প্রস্তাব প্রত্যাখান করে। ক্ষিপ্ত হয়ে আজ বিকেলে তাকে একা পেয়ে ওই যুবকসহ দুই যুবক ঘরে ঢুকে মুখ বেঁধে শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তার শরীরের বেশির ভাগ অংশ পুড়ে গেছে। তবে, তিনি ওই বখাটে যুবকদের নাম ও পরিচয় জানাতে পারেননি।
গোপালগঞ্জের বৌলতলী পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক সুমন ভক্ত জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যার চেষ্টা। ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসী এবং ওই মেয়ে মোবাইলের ম্যাসেজ অপশন চেক করে এমনটাই হয়েছে। তবে, তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। এখন পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ হয়নি।
গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের সার্জারী কনসালটেন্ট ডাঃ মাসুদুর রহমান বলেছেন, আঁখির সারা শরীরের ৯০ ভাগ আগুনে পুড়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
