Skip to content

মেয়েরা আসছে গেমস নির্মাণে

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ ১৯৮৯ সালে স্বনামখ্যাত গেম নকশাকার শেরি গ্রেনার রে এ জগতে কাজ করা শুরু করেন। তখন এখানে মেয়েদের সংখ্যা ছিল মোট জনবলের ৩ শতাংশেরও কম। এখন সেটা ১১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। সেই আশির দশকে ব্রেন্ডা ব্রেথওয়েইট রোমেরো যখন ভিডিও গেম ডেভেলপার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন, তখন এ শিল্পে কাজ করা নারীদের সংখ্যা এক হাতেই গুনে ফেলতেন তিনি। এখন প্রতিনিয়ত তিনি উইমেন ইন গেম ধরনের গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। সেখানে নতুন নারী মুখের সংখ্যা এখন এত বেশি যে, ব্রেন্ডা কৌতুক করে বলেন, লেডিস রুমে যেতে লম্বা লাইন ধরতে হয়। ৪৬ বছর বয়সী ব্রেন্ডাকে নিঃসন্দেহে এ জগতের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় কাজ করা নারী বলা যায়। তার সময়কার পরিসংখ্যান তো আগেই বলা হয়েছে। লেডিস রুমে লম্বা লাইন লাগলেও বর্তমানে গেমিং শিল্প জগতে নারী ও পুরুষের অনুপাত ১:১০-এর সামান্য বেশি। কারণ বরাবরই গেমিং জগৎটাকে ধরা হয় পুরুষশাসিত। বাস্তবতা খুব একটা ভিন্ন নয়। অবশ্য এখানে নারীর সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য বহনযোগ্য যন্ত্রের বিপ্লবকে ধন্যবাদ দেয়াই যায়। স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে প্রথাগত পিসির। সে কারণে শিল্প নির্বাহীরা এখন শুধু তরুণদের মন জয় করা নয়, তরুণীদের চাহিদা পূরণে সচেষ্ট হচ্ছেন। অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ সাইটে নারীবাদী গেম খেলা যায়; যেগুলোর বেশির ভাগই নারীদেরই তৈরি। সে কারণে ক্যারিয়ার হিসেবে গেম ডেভেলপিংকে বেছে নিতে নারীরা এগিয়ে আসছে। নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ভনচার্চ জানায়, ২০০৯ সাল থেকে এ শিল্পে নারী নিয়োগের সংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে। ক্রাউডস্টার ও গ্রির মতো ডিজিটাল গেমিং কোম্পানিগুলোয় এ সময়ের মধ্যে ৩৫০-এর বেশি নারীকে নিয়োগ দিয়েছে ভনচার্চ। ১৯৮৯ সালে স্বনামখ্যাত গেম নকশাকার শেরি গ্রেনার রে এ জগতে কাজ করা শুরু করেন। তখন এখানে নারীর সংখ্যা ছিল মোট জনবলের ৩ শতাংশেরও কম। এখন সেটা ১১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। গ্রেনার বলেন, ২০ বছরের জন্য এটা খুব বেশি উন্নতি নয়। শেরি নিজে কাজ করেছেন ইলেকট্রনিক আর্টস এবং সনি অনলাইন এন্টারটেইনমেন্টের মতো প্রতিষ্ঠানে। তিনি নিশ্চিত নারীরা আরও বেশি মাত্রায় এ শিল্পে যোগ দেবেন। আনুষ্ঠানিক শিায়ও গুরুত্ব পাবে গেমিং আর মোবাইল গেমিংও এগিয়ে যাবে দুর্দান্ত গতিতে। মজার বিষয় হচ্ছে, মোবাইল গেম নির্মাতা পকেট জেমসের প্রথম দিককার প্রকৌশলীদের মধ্যে ছিলেন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী। তবে ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কো¤পানিটি ইচ্ছে করে নারী নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেনি। কিন্তু প্রতিভাবান এসব নারীর অবদানেই দ্রুত সুনাম কুড়াতে সম হয় কোম্পানিটি। প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী বেন লিউ সেটা অকপটে স্বীকার করেন। অধিকাংশ গেমেরই প্রধান চরিত্র পুরুষ। সেগুলো নিয়ে মেতে থাকে তরুণ-কিশোররাই। কিশোরী-তরুণীদের গেম খেলতে দেখা যায় না বললেই চলে। বিখ্যাত গেম কল অব ডিউটি কিংবা স্টারক্রাফট সব জায়গায়ই পুরুষ চরিত্র আর পুরুষ গেমারদের জয়জয়কার। কিন্তু স্মার্টফোন, ট্যাবলেট আর সামাজিক যোগাযোগ সাইটের উত্থানে এ দৃশ্যে এসেছে নাটকীয় পরিবর্তন। শত শত ডলার দিয়ে গেমিং কনসোল কেনার সামর্থ্য আগেও সবার ছিল না, এখনও নেই। কিন্তু বহনযোগ্য যন্ত্রের কারণে গেমারদের ধরনেই ঘটে গেছে বিপ্লব। সে কারণেই এখন সেরা গেমের তালিকায় অনায়াসে জায়গা করে নেয় অ্যাংরি বার্ডস আর ফ্রুট নিনজার মতো গেমগুলো। গেম কনটেন্ট ডিজাইনার এলিজাবেথ সামপাত বলেন, মোবাইল গেমের জগৎটা এখনও বুনো পশ্চিমের মতোই রয়েছে। কারণ সবার হাতেই মোবাইল যন্ত্র রয়েছে। সেটাতে গেম খেলার ইচ্ছা কারোরই কম নয়। সামপাত কাজ করেন সোস্যাল গেম

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫