স্টাফ রিপোর্টার ॥
ঢাকা : রাজধানীর ফার্মগেটের মোস্তফা রোডের নিবেদিকা ছাত্রী হোস্টেলে মধ্যরাতে ভাড়াটে গুন্ডা ঢুকে উৎপাত করলে উত্তপ্ত হয়ে উঠে ছাত্রী হোস্টেলটি। সোমবার রাত সোয়া ১টায় হোস্টেলে আন্দোলনরত ছাত্রীদের দমাতে ২০-২৫ জন ভাড়াটে গুণ্ডা ছাত্রী হোস্টেলে প্রবেশ করে এবং হুমকি-ধমকি দেয়।
হোস্টেল ছাত্রীদের দাবি, নিবেদিকা হোস্টেলের ভাড়া, খাবারের মানসহ বিভিন্ন দাবিতে তারা সন্ধ্যা থেকে আন্দোলন করছিলো। কিছু দিনে তারা বেশ কিছু দিন ধরে তাদের মধ্যে ক্ষোভ ছিলো।
তাই হোস্টেলের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান তাদের আন্দোলন দমাতে ভাড়াটে গুণ্ডা পাঠান। সে সময়ে সেখানে এলাকার এক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং শেরেবাংলানগর থানার তিন জন পুলিশ থাকলেও গুণ্ডাদের দেখে তারা চলে যান।
তারা জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে হোস্টেলের মালিকের সাথে বসতে চাইলে মালিক বিভিন্ন টালবাহানা করে তাদের সাথে দেখা করতে আসেনি। ভাড়াটে গুণ্ডারা পিছনের গেট দিয়ে আসার পর আমরা তেজগাঁও থানায় ফোন দেই।
সেখান থেকে আমাদের জানানো হয় মোস্তফা রোড তাদের থানার মধ্যে পড়ে না। পরবর্তীতে শেরেবাংলা থানা থেকে তিন জন পুলিশ আসলেও তারা গুণ্ডাদের দেখে সামনের দরজার বাইরে অবস্থান নেয়। তখন ভয়ে মেয়েরা নিজ নিজ ঘরে ফিরে গেলেও সাংবাদিকদের দেখে বাইরে বের হয়ে তাদের আন্দোলন শুরু করে।
শেরেবাংলা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মারুফ আহমেদ জানান, রাতে হোস্টেলে ঢুকে গুণ্ডাদের হুমকির ব্যাপারে শেরেবাংলা থানা পুলিশ অবগত নয় এবং সে সময় ছাত্রী হোস্টেলে শেরেবাংলা থানার কোন পুলিশ ছিল না। যদি এরকম কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
ছাত্রীরা মালিকের সাথে দেখা করতে চাইলে ইন্সপেক্টর মারুফ রাত ৩টার সময় তেজগাঁও ও শেরেবাংলা থানা পুলিশের ২টি দলকে পাঠায় তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভোর সাড়ে ৫টায় পুলিশ জানায় তার মনিপুরী পারার বাসায়। সে গেট খুলছে না।
