জেলা প্রতিনিধি,বরগুনা: আমতলী টেপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবনের অভাবে গাছ তলায় পরীক্ষা দিচ্ছে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সমাজসেবক মো. হাসেম মল্লিক ১৯২০ সালে স্থানীয় মানুষের শিক্ষার কথা বিবেচনা করে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯৪-৯৫ সালে আমতলী উপজেলা এলজিইডি ৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪ কক্ষবিশিষ্ট একটি একতলা ভবন নির্মাণ করেন। ভবন নির্মাণের দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও কোন সংস্কার না করায় ভবনটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ভবনটি এতই অযোগ্য যে, ২০১২ সালের ৮ই আগস্ট আমতলী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান রিপন বিদ্যালয় পরিদর্শন কালে ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষণা করেন। এবং ভবনের ভিতরে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।
তা সত্ত্বেও শিক্ষকরা নিরুপায় হয়ে ওই ভবনে কিছু দিন ক্লাস সহ পরীক্ষা কার্যক্রম চালালেও বর্তমানে তা মোটেই সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে বর্তমানে শিক্ষকরা গাছ তলায় ক্লাস সহ পরীক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী গাছ তলায় বসে পরীক্ষা দিচ্ছে।
