জেলা প্রতিনিধি, মাগুরা ॥ মাগুরার শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামের বাসিন্দা আকমল হোসেন খানের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সেখানে প্রতিপক্ষের প্রায় অর্ধ-শতাধিক বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার মাগুরার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, গত ১৩ আগষ্ট রাতে কাজলী বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে সারঙ্গদিয়া গ্রামের ওয়াপদা স্লুইস গেটের সামনে থেকে একই গ্রামের উজ্জল, মারুফুল, ছারোয়ার, রুবেল, রাজু, সাহেব আলী, শাবু, সামছু বিশ্বাস ও তুহিন নামের কয়েক জন লোক ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আকমল হোসেনের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়। ঘটনার পর আকমল উল্লিখিত ৮ জনের নাম থানা পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে জানায় বলে জানা গেছে। গুরুতর জখম অবস্থায় দীর্ঘ ২৫ দিন ঢাকার রেনেসাঁ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে গত শনিবার তার মৃত্যু হয়।
আকমলের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে সে দিন থেকেই প্রতিপক্ষ কিয়ামত, ছালামত, আব্দুল হালিম, গোলাম রব্বানি, মকবুল খোন্দকার, ছবুর, নিজাম, আজম, বাদশা, এস্কেন্দার, রশিদ মোল্লা, উজ্জল, ইছাহাক, রবি, বিকাশ, কাশেম খন্দকার, প্রকাশ, আইয়ুব, গোলাম খন্দকার, সাচ্চু ফকির, কানাই সরকার ও রোকনসহ প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও গরু-ছাগল, আসবাব-পত্র, ফসলাদিসহ ঘরের অন্যান্য জিনিসপত্র লুটপাট চালাচ্ছে।
