বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ সংযুক্ত আরব আমিরাতে দিন দিনই বাড়ছে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা। আর এসব রপ্তানি পণ্যের মধ্যে অন্যতম প্রাণের সামগ্রী।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী ও রপ্তানিকারক এই প্রতিষ্ঠান বিগত বছরগুলোর রপ্তানি সাফল্যের ধারাবাহিকতায় চলতি বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৫ মিলিয়ন ডলারের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য রপ্তানি করার পরিকল্পনা করেছে বলে জানিয়েছেন প্রাণের চিফ অব এক্সপোর্ট মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, প্রাণের রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ, ভারত, ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকাসহ বিশ্বের ৯৪টি দেশে প্রাণ পণ্য রপ্তানি হচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সবদেশেই প্রাণ পণ্য ব্যাপক জনপ্রিয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি, আজমান, দুবাই, ফুজাইয়া, রাস আল খাইমাহ, উম আল কুয়াইন ও শারজাহসহ প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে প্রাণ পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
প্রাণের ফ্রুটো, লিচি ড্রিংক, পাওয়ার, বিভিন্ন ধরনের মসলা, সরিষার তেল, নুডুলস, লাচ্ছা সেমাই, চানাচুর, ঝালমুড়ি, ডাল ভাজা, মটর ভাজা, বাদাম ভাজা, টোস্ট, ফিট বিস্কুট, ড্রাই কেক, চকলেটসহ বিভিন্ন পণ্য আরব আমিরাতে রপ্তানি করা হয়। আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশি ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে প্রাণ পণ্য ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আজমান, আবুধাবী, মুসাফফা, ফুজাইয়া ও রাস আল খাইমাহতে প্রাণের ওয়্যারহাউজ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন এলাকায় প্রাণ পণ্য সরবরাহ করা হয়।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাব মতে ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৫১ মিলিয়ন ডলারের বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হয়েছে আরব আমিরাতে। চাহিদা বাড়ার কারণে রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমান আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রপ্তানির পরিমান আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব।
উল্লেখ্য, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পপরিবার। গত ৯ বছর শ্রেষ্ঠ জাতীয় রপ্তানি ট্রফি অর্জন করেছে এই গ্রুপ।
