Skip to content

তৃতীয় দফায় ১৮ দলের ডাকা হরতালের কবলে বেনাপোল

জেলা প্রতিনিধি, বেনাপোল ॥ দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর আবার ও ১৮ দলের ডাকা ৮৪ ঘন্টার হরতালের কবলে পড়ায় সকরার হারাবে ৪০ কোটি টাকার রাজস্ব আর ব্যাবসায়িরা আমানি রপ্তানি পন্য সময়মতো গন্তব্য পৌছাতে না পারায় ওয়্যারহাউজ ভাড়া আমদানি রপ্তানি ট্রাকের  ডেমারেজ দিতে হবে এ আশঙ্কায় হতাশা প্রকাশ করছে।

বেনাপোল সিএন্ড এফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর  রহমান বলেন, প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর থেকে ৩৫০ থেকে ৪০০ আমদানি ট্রাক ছেড়ে যায় দেশের বিভিন্ন জায়গায়। আর বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ ট্রাক ছেড়ে যায় রপ্তানি পন্য নিয়ে।কিন্তু হরতালের কারনে পথে সমস্যা হতে পারে বলে এ বন্দর থেকে কোন পন্যবাহি ট্রাক ছেড়ে যাবে না। ফলে সরকার হারাবে মোটা অংকের রাজস্ব আর ব্যাবসয়িরা সময়মতো মাল ডেলিভারি নিতে না পারলে লোকসানের অংক কসতে হবে তাদের।

সকাল থেকে বেনাপোল কাষ্টমস ও বন্দর সহ এখানকার ব্যাংক বীমা অফিস খুললে ও আমদানি কারকগন তাদের পন্য খালাস নিচ্ছে না।

বোনপোল বন্দর ট্রাফিক পরিচালক তোফাজ্জেল হোসেন জানান, ঘন ঘন হরতালে বন্দর ও কাষ্টমস অফিস খোলা থাকালে ও ব্যাবসায়িরা তাদের পন্য খালাস নিচ্ছে না।ব্যাবসায়িরা পন্য নিতে না পারায় কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করছে।

ঢাকার মুক্তা ফ্যাশানের আমদানি কারক, জালাল উদ্দিন জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারনে সরকার যেমন রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তার চেয়ে বেশী ক্ষতি হচ্ছে আমাদের মতো ব্যাবসায়িদের। সময়মতো মাল গন্তব্য পৌছাতে না পারলে অনেক বিদেশীর ভায়াররা তাদের অর্ডারের গার্মেন্টস পন্যর অর্ডার  বাতিল করতে পারে। এ ভাবে চলতে থাকলে আমাদের লোকসান গুনতে গুনতে ব্যাবসা বানিজ্য বন্দ করে দিতে হবে। এ ছাড়া কলকারখানার কাঁচামাল এ বন্দর দিয়ে আসে সময় মতো কাঁচামাল কলকারখানায় না পৌছালে উৎপাদন হৃাস পাবে।

বেনাপোল চেকপোষ্ট কাষ্টমস কার্গো শাখার ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান জানান, ভারত থেকে আমদানি পন্য বন্দর পর্যন্ত আসছে কিন্তু বন্দর গেটে গতকালের রাতের খালাসকৃত মাল লোড হয়েছে সে সব ট্রাক চালকরা হরতালের জন্য ট্রাক ছেড়ে না যাওয়ায় পন্য জটের সৃষ্টি হয়েছে,ফলে আমদানি পন্য আনলোড  করতে পারছে না।

বোনপোল সিএন্ড এফ ব্যাবসায়ি এমএ মুন্নাফ খোকন জানান, মাল যে কয়দিন আনলোড না  হবে সে কয়দিন ট্রাক প্রতি আমদানি কারকদের প্রতিদিন ২০০০ হাজার টাকা করে ডেমারেজ দিতে হবে।

বোনপোল বন্দর সুত্র জানায়, সব থেকে ভয় ভারতীয় আমদানি পন্য  ট্রাক যখন বাংলাদেশে  এসে পন্য খালাস করতে না পেরে এখানে অবস্থান করে তখন তারা যার যার ট্রাকের নীচে ষ্টোভ জ্বালিয়ে রান্না করে। আর এর কারনে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ইতি পুবে কয়েকবার ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের ষ্টোভের আগুনে বন্দরে আগুন লাগে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, হরতালের কারেনে পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে তবে যাত্রী অনেক কম।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫