বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ পাকিস্তান ও চীন থেকে আমদানি হওয়া প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম পড়ছে সর্বনিম্ন ৩২ টাকা। আর সবচেয়ে ভালো মানের পেঁয়াজের দাম পড়ছে ৪৮ টাকা। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস হওয়া এ পেঁয়াজ মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারেই বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ৯০ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা! আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়।
গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, পাইকারি ও খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার মো. সাইফুল হক জানান, গত মাসে চীন থেকে সাড়ে পাঁচ লাখ কেজি এবং পাকিস্তান থেকে ১৭ লাখ কেজি পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি হয়। এ মাসেও আমদানি অব্যাহত রয়েছে।
জানা যায়, অবরোধের কারণে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কমেছে।
এদিকে গতকাল সকালে পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের দাম খানিকটা কমতে শুরু করেছিল। কিন্তু বিকেলের দিকে অবরোধের সময় বাড়ানোর খবর প্রচারের পরপরই আবার কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়ে যায়।
খাতুনগঞ্জের মোহাম্মদীয়া বাণিজ্যালয়ের স্বত্বাধিকারী মো. মিন্টু সওদাগর বলেন, ‘অবরোধ না থাকলে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ত। এতে দাম কমে যেত।’
খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দামে কার্যত এখন কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। নগরের রেয়াজউদ্দিন বাজারে গতকাল সোমবার চীনা ও পাকিস্তানি পেঁয়াজ ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বাজারের বাইরে অলিগলির দোকানে এ দাম ১২০ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৩৫ টাকা কেজি দরে।
খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ছগীর আহমেদ বলেন, অবরোধ কর্মসূচি শুরুর আগে বিক্রি কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা লোকসানে পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন। আড়তেও পচে গেছে অনেক পেঁয়াজ। এখন অবরোধে পেঁয়াজ না আসায় দাম বেড়ে গেছে।
