Skip to content

পাকিস্তানের ১১ রানের জয়

স্পোর্টস ডেস্ক ॥ আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে মোহাম্মদ হাফিজের সেঞ্চুরির সুবাদে ৩২২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩১১ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। অবশেষে ১১ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।

শ্রীলঙ্কার শুরুটা অবশ্য খারাপ হয়নি। উদ্বোধনীতে আসে ৬৬ রান। দুই বাউন্ডারিতে ৩০ রান সংগ্রহ করতেই সাজঘরে ফেরেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তিলকরতেœ দিলশান। ওয়ান ডাউনে নামা কুমার সাঙ্গাকারাকে সঙ্গে নিয়ে ৪৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন কুশাল প্যারেরা।

মোহাম্মদ হাফিজের করা খাটো লেন্থের বল এসে প্যারেরা প্যাডে আঘাত হানে। কালক্ষ্যোপন না করেই আঙ্গুল তুলে দেন আম্পায়ার। রিভিই ডেকেও কোন ফায়দা হয়নি লঙ্কানদের। থার্ড আম্পায়ারও জানালেন আউট। এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে ৬৮ বলে পাঁচ চার ও এক ছয়ে ৬৪ রান করেন কুশাল প্যারেরা।

এরপর দ্রুত উইকেট ছাড়েন কুমার সাঙ্গাকারও লাহিরু থিরিমান্নে। শাহিদ আফ্রিদির করা অপস্টাম্পের বাহিরের বলে খোঁচা দিতে গিয়ে উইকেট কিপারের গ্লাভস বন্দি হন সাঙ্গাকারা (২৩)। মাত্র দশ রানেই ফিরেছেন লাহিরু থিরিমান্নে।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে দিনেশ চান্দ্রিমালকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামত করার চেষ্ঠা করেন অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলা ম্যাথুস। এই পার্টনারশিপে তারা ৭৩ রান যোগ করেন। ফের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। মাত্র সাত রারেন ব্যাবধানে তিন উইকেট নেই। ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট মূলত এটাই।

ইনিংসের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলছিলেন দিনেশ চান্দ্রিমাল। কিন্তু দ্রুত রান তুলতে গিয়ে রান আউটের ফাঁদে পরেন। সাজঘরে ফেরার আগে ৫০ বলে দুই চার ও তিন ছয়ে ৪৬ রান করেন। অ্যাঞ্জেলা ম্যাথুস ৩১ রান করলেও দুই অঙ্কোর ফিগার টপকাতে পারেননি থিসেরা প্যারেরা।

দলের হার যখন সন্নিকটে তখন পাকিস্তানের বোলিংয়ে তান্ডব চালান লঙ্কান লোয়ার অর্পার দুই ব্যাটসম্যান পারাসান্না ও সেনানায়েক। তারা বোলার হয়েও খেলেছেন ব্যাটসম্যানদের মতো।

এই জুটির বিচ্ছেদ ঘটাতেই ঘাম ঝড়াতে হয়েছে পাকিস্তানকে। দলের নিশ্চিত পরাজয়ের দিনেও ফাইট দিয়েছেন পারাসান্নে-সেনানায়েক। শেষ পর্যন্ত এদের ব্যাটেই এক সময় ম্যাচ জয়ের স্বপ্নদেখে শ্রীলঙ্কা। অষ্টম উইকেট জুটিতে তারা ৮৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন।

জিততে হলে শেষ দুই ওভারে লঙ্কানদের প্রয়োজন ২৭ রান। ৪৯তম ওভারে সোহেল তারভির ১৩ রান খরচ করে সেনানায়েকের উইকেট তুলে নিলে ম্যাচ পট পরিবর্তন। মাত্র ২৪ বল খেলে সাত চার ও এক ছয়ে ৪২ রান করেন সেনানায়েক।

জিততে হলে শেষ ওভারে লঙ্কানদের প্রয়োজন ১৪ রান। আর পাকিস্তানের দরকার দুই উইকেট। জুনায়েদ খানের দায়িত্বশীলতার কারণে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান। ওভারের প্রথম বলেই রান আউট হন লাসিথ মালিঙ্গা। চতুর্থ বলে মিড অপে ক্যাচ তুলে দেন পারাসান্নে (৪২)।

শেষ উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের উল্লাসে মেতে উঠে পাকিস্তান। দলের হয়ে তিন উইকেট নেন জুনায়েদ খান। দুই উইকেট নেন শহিদ আফ্রিদি। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন সেঞ্চুরিয়ান মোহাম্মদ হাফিজ।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৩২২ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরি হাঁকান মোহাম্মদ হাফিজ (১২৩)। শোয়েব মাকসুদের ব্যাট থেকে আসে ৭৩ রান। ৬১ রান করেন শারজিল খান। ইনিংসের শেষ দিকে মাত্র ১২ বলে দুই চার ও তিন ছয়ে ৩৪ রান করে স্কোর বোর্ড চওড়া করেন শাহিদ আফ্রিদি।

পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে ২০ ডিসেম্বর শুক্রবার। দুবাই আন্তর্জাজিত ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকাল পাঁচটায় খেলাটি অনুষ্ঠিত হবে।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫