স্পোর্টস ডেস্ক ॥ মিরপুর ‘শোচনীয়’ হারের পর চট্টগ্রাম টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে হলে ফিল্ডিংয়ে উন্নতি করাটা সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করছেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সাকিব আল হাসান বলেন, সব জায়গাতেই উন্নতি করতে হবে। ফিল্ডিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ওদের যারা বড় রান পেয়েছে তাদের সবাই জীবন পেয়েছে। সুযোগগুলো হাতছাড়া না হলে ওদের এতো রান হতো না। আজ রবিবার চট্টগ্রামে প্রথম দিনের অনুশীলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বাংলাদেশি এই ক্রিকেট তারকা। তিনি মঙ্গলবার থেকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুরু হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। সঙ্গে কথা বলেন সাকিব।
সাকিব বলেন, ওরা ৭০০ রান করার পর জানতাম দুই দিন ব্যাট করা ছাড়া এখন আর কোনো উপায় নেই। তখন এটা ছিল অনেক কঠিন। কিন্তু ৪০০ হলে আমরা জানতাম, ভালো ব্যাটিং করলে ওরা আবার ব্যাটিংয়ে নামবে। এ সময় সম্প্রতি বাংলাদেশ টেস্ট পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি বলেন, টানা দেড়-দুই বছর ভালো ক্রিকেট খেলার পর একটি ম্যাচে বাজে খেলতেই পারে কোনো দল। তবে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর কাছে।
ইনিংস ও ২৪৮ রানে হারের ধাক্কা দল কাটিয়ে উঠেছে জানিয়ে সাকিব বলেন, এর আগেও কিন্তু এ রকম পরিস্থিতি থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি এবং তা দৃঢ়ভাবেই। সুতরাং এই অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। আশা করি, সমস্যা হবে না। সবাই পরের ম্যাচের দিকে মনযোগ দিচ্ছে। প্রথম টেস্টে খাটো লেন্থের বল দিয়ে স্বাগতিক ব্যাটসম্যানদের ভুগিয়েছে শ্রীলঙ্কার পেসাররা। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্টে খাটো লেন্থের বলের দলের সবাই সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
চট্টগ্রামে নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেললে যেকোনো ফলাফল সম্ভব উল্লেখ করে সাকিব আল হাসান বলেন, সিনিয়রদের দায়িত্ব একটু বেশি, তবে নতুনদেরও যে কোনো দায়িত্ব নেই, তা নয়। মাঠের এগারো জন আর বাইরে তিনজন এবং কোচিং স্টাফ সবারই দায়িত্ব আছে। একটা দল ভালো খেলার জন্যে বল বয় থেকে শুরু করে সমর্থক সবারই সহায়তার দরকার হয়।
এ ছাড়াও মিরপুর টেস্টে মুশফিকের অন্তত চারটি ক্যাচ মিস হওয়ার ব্যাপারে বিশ্বসের এই অলরান্ডার বলেন, মুশফিক ভাই কিপিংয়ে উন্নতি করছে। উনি নিজেই বলেছেন, শেষ কবে এমন কিপিং করছেন তা উনার মনেই নেই। একটা বাজে দিন সবারই আসতে পারে। আশা করি এটা আর হবে না।
উল্লেখ্য, আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুরু হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।
