স্টাফ রিপোর্টার ॥ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খানকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।
এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ১১টায় দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছিল সাবেক এ প্রতিমন্ত্রীকে।
তবে নিজেকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দাবি করা সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দুদককে পাত্তা নিয়ে দিয়ে হাজির হননি।
ওইদিন সকাল ১০টায় তিনি প্রতিবেদককে মোবাইল ফোনে জানিয়েছিলেন, বেলা ১১টায় তিনি দুদকে আসবেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’
সেই সঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘আমি আইনের লোক। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো আমার দায়িত্ব।’
কিন্তু বেলা আড়াইটা পর্যন্ত তিনি দুদকে হাজির হননি।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন জানিয়েছিলেন, আবদুল মান্নান খান যে আসবেন না তা আমাকে জানানো হয়নি।
তবে দুদকের কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নানের পক্ষে একরকম সাফাই গেয়েছিলেন। তিনি বলেন, মান্নান দুদককে জানিয়েছেন বেলা ২টার সময় তিনি দুদকে হাজির হবেন।
কিন্তু ২টা পার হওয়ার পরও কেন তিনি আসেননি এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘অসুস্থতার কারণে তিনি দুদকে আসতে পারেননি। এজন্য মান্নান সাহেব দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া তিনি দুদকে হাজির হওয়ার জন্য প্রস্তুত নন।’
এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন মান্নানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠান।
সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যত অভিযোগ:
মন্ত্রিত্বকালে মান্নানের সম্পত্তি ১০৭ গুণ বেড়েছে। ৫ বছর আগে তার সাকুল্যে ১০ লাখ ৩৩ হাজার টাকার সম্পত্তি ছিল। গত ৫ বছরের ব্যবধানে সেটা হয়েছে ১১ কোটি তিন লাখ টাকা।
আগে তার বার্ষিক আয় ছিল ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। সেই আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে বছরে ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকায়।
