বিনোদন ডেস্ক ॥ ৪টি ছবি মুক্তির জন্য প্রস্তুত, দুটি ছবি সেন্সর বোর্ডে আটক, হাতে নতুন কোন ছবি নেই। তবুও হতাশ নন তিনবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা পপি। বললেন, এখানে হতাশার কিছুই নেই। ছবির অফার আসে। গল্প চরিত্র অপছন্দ হয় বলেই করা হয় না। পপি বলেন, অনেক ছবিতে কাজ করছি। অনুরোধের ঢেঁকি গিলতে গিয়ে এমন কিছু ছবিতে কাজ করতে হয়েছে, যেগুলোর নাম বলতেও ইচ্ছা করে না। আবার এমন কিছু ছবিতে কাজ করেছি যা একজন শিল্পী হিসেবে আমাকে অনেকদিন বাঁচিয়ে রাখবে। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছি। পেয়েছি দর্শকদের ভালবাসা, নির্মাতাদের আস্থা। তাই ব্যস্ততা কমবেশি নিয়ে কখনও মাথা ঘামাইনি।
এখনও ঘামাই না। পপি বলেন, ভাল ভাল কিছু ছবির কাজ শেষ করে দিয়েছি অনেক আগেই। যেমন নারগিস আক্তারের ‘পৌষ মাসের পিরিতি’, ‘শর্টকাটে বড়লোক’, জাহিদ হাসানের ‘লীলামন্থন’। এখন এই ছবিগুলো মুক্তি না পেলে আমি কি করতে পারি। বরং বলতে পারি ছবিগুলো মুক্তি পেলে দর্শকরা আরও পরিপূর্ণ একজন পপিকে দেখতে পাবেন। তাছাড়া কাজী হায়াতের ‘বিয়ে হলো বাসর হলো না’ মুক্তি পাবে সহসাই। তবে ‘আদরের ভাই’ এবং ‘দি ডিরেক্টর’ সেন্সর বোর্ডে কেন আটকে আছে তা আমি পরিষ্কার জানি না। এই ছবিগুলোও একদিন সদনপত্র পাবে। মুক্তি পাবে। পাশাপাশি সালমান হায়দারের ‘দেহ’ ছবির শুটিং শুরু হবে। ইতিমধ্যে গান রেকর্ড হয়েছে। এসব কারণেই আমাকে হতাশা কখনও গ্রাস করে না। এক সময় ছবি বেশি হয়েছে, কাজও বেশি করেছি। এখন ছবি কম হচ্ছে, বড় বড় পরিচালকরা হাত গুটিয়ে বসে আছেন। ডিজিটালের নামে কম বাজেটের ছবি হচ্ছে। সেসব ছবিতে আমাদের প্রয়োজন পড়ছে না।
যখন প্রয়োজন পড়বে তখন ডাকও পড়বে। পছন্দ হলে করবো, না হলে নয়। পপি বলেন, আমি সব সময় অভিনয়ের পেছনে ছোটার চেষ্টা করেছি। আমি ভাল অভিনেত্রী নই। চরিত্রের প্রয়োজনে পরিশ্রম করি না- এমন অভিযোগ কোন নির্মাতা করতে পারবে না। পরিশ্রম করে নিজের যোগ্যতায় একটা অবস্থান তৈরি করেছি। যা নিয়ে আমি এখনও সন্তুষ্ট। আমার অভিনীত ছবিগুলো মুক্তি পেলেই দৃশ্যপট বদলে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। অতএব, হতাশ নয়, বরং একরাশ আশা নিয়ে আমি দিন কাটাচ্ছি। আমার এই আশাবাদ অনেক বড়ভাবে পূরণ হবে এমন আত্মবিশ্বাসই আমি হৃদয়ে সযতেœ লালন করছি।
