Skip to content

অবকাঠামো উন্নয়নের পর ভারতকে ট্রানজিট

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম ॥ অবকাঠামোগত সক্ষমতা অর্জনের পরেই ভারতকে ট্রানজিট দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।

তিনি বলেছেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়রক চার লেন বাস্তবায়ন, পরিবহন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সেক্টরে উন্নয়নের পর ভারতকে ট্রানজিট দেয়া হবে। এছাড়াও বিসিআইএম ইকোনমিক করিডোরে চট্টগ্রামকে অন্তর্ভূক্ত করা হবে। এটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন এবং ভারতের সংশ্লিষ্ট জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।’

মঙ্গলবার সকালে নগরীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমার (বিসিআইএম) ইকোনমিক করিডোর শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। চিটাগাং চেম্বার ও ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়েজন করে।

তিনি জানান, ইকোনমিক করিডোর বাস্তবায়নে চট্টগ্রামে সম্পাদিত বিসিআইএম-স্টক এক্সচেঞ্জ সমঝোতা স্বাক্ষরে সরকারের পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টর মূল ভূমিকা পালন করবে। বিসিআইএম জয়েন্ট স্ট্যাডি গ্রুপের পরবর্তী সভা আগামী জুনে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘২০০৫ সালে ভারতের ওপর দিয়ে গ্যাসলাইন নেয়ার জন্য মিয়ানমার বাংলাদেশকে প্রস্তাব দিয়েছিল। ওই সময় চারদলীয় জোট সরকার প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেয়। এখন বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে তাদেরকে প্রস্তাব দিলেও তারা সায় দিচ্ছে না। তবে গ্যাস আনার ব্যাপারে মিয়ানমারের জ্বালানি মন্ত্রীর সাথে সরকারের আলাপ-আলোচনা চলছে।’

এসময় চীনের রাষ্ট্রদূত লি জুন বলেন ‘করিডোর সফল করতে পরিবহন ও বিদ্যুৎসহ মহা প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে মেকানিজম বিল্ডিং জরুরি। যৌথ নেটওয়ার্কিং, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিকল্পিত আঞ্চলিক উন্নয়ন সম্ভব।’ পরিকল্পিত আঞ্চলিক উন্নয়ন হলে চট্টগ্রাম ভবিষ্যতের সাংহাই বা নিউইয়র্ক হয়ে উঠবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এছাড়া ইকোনমিক করিডোর বাস্তবায়নে যোগাযোগ সমস্যাকে বড় বাধা বলে উল্লেখ করেন ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার সন্দীপ চক্রবর্তী। অপরপক্ষে এর মাধ্যমে সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ ও চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধের ওপর প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার সোমনাথ হালদার, চায়না কুনমিং ওপেনিং-এশিয়া ট্রান্সপোর্টেশন লজিস্টিক্স রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রিসার্চার লিউ জিনক্সিন, বাংলাদেশ মিয়ানমার বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহমুদুল হক, চেম্বারের প্রাক্তন পরিচালক ডা. মঈনুল ইসলাম মাহমুদ, চায়না ইউনান একাডেমী অব সোস্যাল সায়েন্সেস, ইনস্টিটিউট অব সাউথইস্ট এশিয়ান স্ট্যাডিজের সহ-পরিচালক লী জুনিং। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স স্ট্যাডিজের শহীদুল ইসলাম।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫