বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ বিশ্ব রেকর্ড গড়ার লক্ষ্যে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রীরা হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ ছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে ব্যাখ্য চেয়েছেন।
নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ছাত্রীদের কেন জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে নিয়ে যাওয়া হলো এ ব্যাপারে গতকাল বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে প্রায় সাড়ে তিনশ’ বিক্ষুব্ধ ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের কার্যালয়ে গিয়ে এর ব্যাখ্যা চান।
এ নিয়ে রাত পৌনে একটা পর্যন্ত উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠক করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আমজাদ আলী, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের প্রাধ্যক্ষ ফরিদা বেগম, হলের আবাসিক শিক্ষক ও বিক্ষুব্ধ ছাত্রীরা।
ছাত্রীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের আবাসিক শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে গিয়েছিলেন তারা। সেখানে গিয়ে তাদের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সেনাসদস্য ও পুলিশ থাকা সত্ত্বেও তাদের উত্ত্যক্ত করা হয়েছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলাবাহিনী কোনো পদক্ষেপ নেননি।
জাতীয় সংগীত গাওয়ার পর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ফিরতে পারেননি। নিজেদের মতো করে তাদের হলে ফিরতে হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণেই তা হয়েছে।
ছাত্রীদের অভিযোগের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে হলের আবাসিক শিক্ষকরাও। একাধিক শিক্ষক এ ঘটনার ব্যাপারে বলেছেন, ‘জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ছাত্রীরা হয়রানির শিকার হয়েছে। এসময় আমরা নিজেরাও অসহায় ছিলাম। তখন করার কিছুই ছিল না।
প্রক্টর আমজাদ আলী বলেন, এমন ঘটনা ঘটে থাকলে তা খুবই দুঃখজনক। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।
এদিকে বৈঠক শেষে উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন বলেন, ছাত্রীদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা খুবই দুঃখজনক। এতে নারীদের অসম্মান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’
বেঙ্গলিনিউজটোয়েন্টিফোর.কম
