স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিয়েছেন অনারারি ও ইন্টার্ন ডাক্তাররা।
হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমানের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার রাত পৌনে ১২টা থেকে তারা চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেন।
এর আগে তারা পরিচালকের পদত্যাগ এবং চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে বিক্ষোভ করে।
জানা গেছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ছয় অনারারি চিকিৎসকের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলায় ডা. মমিনুল ইসলাম (২৮) নামে এক অনারারি চিকিৎসক আহত হয়েছেন।
ডা. ফজলে বারী জানান, ঢামেকের মেডিসিন এবং সার্জারি বিভাগের ছয় চিকিৎসক চাঁনখারপুল সোহান হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট থেকে রাতের খাবার খেয়ে বের হন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে
চাঁনখারপুল মোড়ে আসতেই ১৫ থেকে ২০ দুর্বৃত্ত লাঠিসোঠা নিয়ে তাদের ওপর চড়াও হয়।
এদের মধ্যে ৫ চিকিৎসক অক্ষত অবস্থায় দৌঁড়ে পালাতে পাড়লেও ডা. মমিনুল লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
এ সময় নূরুল ইসলাম নামে অপর এক কলেজ ছাত্রও আহত হন। তবে কারা এবং কেন তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছেন না।
এ প্রসঙ্গে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা জরুরি ভিত্তিতেই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিচ্ছি। রোগীর যাতে জরুরি বিভাগে ভর্তি হতে পারে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’
এ ঘটনার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জড়িত এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের প্রক্টরের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি এ বিষয়টি আমলে নিয়ে খুবদ্রুত ব্যবস্থা নেবেন বলেও আমাকে জানিয়েছেন। কারা কারা এর সঙ্গে জড়িত তাও তিনি খুঁজে বের করবেন বলে আমাকে বলেছেন।’ এ ঘটনায় মামলা করা হবে বলে জানান পরিচালক।
পদত্যাগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি তো বড় কথা নয়। আমি সড়ে গেলেও এমন ঘটনা কখনো কাম্য নয়। যে বিষয়টি মিমাংসিত তা নিয়ে ঢাবির শিক্ষার্থীরা এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।’
