স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঈদে ট্রেনে বাড়ি যাবেন? ভাবছেন, টিকিট পেলেও ট্রেন ঠিকমতো ছাড়বেতো! প্ল্যাটফর্মে কতোক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে ট্রেনের জন্য? যে ট্রেনে যাবেন সেই ট্রেনইবা কোথায় আছে?
ট্রেন ট্র্যাকিং মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে যাত্রীদের এমন জিজ্ঞাসার জবাব দেবে ১৬৩১৮ নম্বর।
জিপিআরএসের মাধ্যমে ট্রেন ট্র্যাকিং করতে এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক ইঞ্জিনে বসানো হয়েছে বিশেষ ডিভাইস। এটি দিয়েই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নজরদারিতে রাখা হচ্ছে ট্রেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের নতুন এ সেবার কারণে যাত্রীদের বিগত বছরগুলোর ঈদের মতো টিকিট হাতে ট্রেনের জন্য বিরক্তিকর অপেক্ষা করতে হবে না।
গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের গ্রাহকরা এখন এক এসএমএসেই পেয়ে যাবেন ট্রেন কোথায় আছে, কখন ছাড়বে, পরবর্তী স্টপেজ এবং বিলম্ব সময়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য।
মাস তিনেক আগে পরীক্ষামূলকভাবে রেলওয়ে একটি অপারেটরের মাধ্যমে এ সার্ভিস চালু করলেও প্রচার কম থাকায় তা অনেকেই জানতেন না। বর্তমানে তিনটি অপারেটরের মাধ্যমে রেলওয়ে এসএমএসের মাধ্যমে এ সেবা চালু করেছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো: তাফাজ্জল হোসেন বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের কিছু সমস্যা কাটিয়ে বর্তমানে এ সেবা এখন বেশিরভাগ মানুষের হাতের নাগালে। যাত্রীরা এক এসএমএসেই পেয়ে যাবেন ট্রেনের হালনাগাদ তথ্য।
আন্ত:নগর ও গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলোতে এ সেবা চালু হয়েছে বলেও তিনি জানান।
মোবাইল ফোনে ঞজ লিখে স্পেস দিয়ে ট্রেনের নাম বা কোড লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে ম্যাসেজ পাঠালেই ফিরতি ম্যাসেজে পাওয়া যাবে কাঙ্খিত ট্রেনের অবস্থান, বিলম্ব সময়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য। প্রতি এসএমএসে ভ্যাটসহ খরচ হবে ৪ টাকা ৬০ পয়সা।
চলতি বছরের মধ্যে অনলাইনেও এ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের। অনলাইনে এ সুবিধা চালু হলে রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকেই যাত্রীরা জানতে পারবেন ট্রেনের হালনাগাদ তথ্য।
এছাড়া মোবাইলের মাধ্যমে ট্রেনে এ ট্র্যাকিং সার্ভিস ছাড়াও মোট টিকিটের ২৫ শতাংশ মোবাইল ও ই-টিকিটিংয়ে কাটার সুবিধা রয়েছে। আসন্ন রমজানের ঈদেও ২৫ শতাংশ বরাদ্দ থাকবে। ২৫ শতাংশের মধ্যে ১৫ শতাংশ মোবাইল টিকিটিংয়ের মাধ্যমে এবং বাকি ১০ শতাংশ টিকেট ই-টিকিটিং ব্যবস্থায় যেকোনো ভিসা বা মাস্টারকার্ডের (ডেভিট অথবা ক্রেডিট) মাধ্যমে ইন্টারনেটে কাটা যাবে।
