Skip to content

অ্যাংরি বার্ডস, হাংরি ফক্স

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ গল্পেই বরং শেয়াল পণ্ডিতের অবস্থা ভালো ছিল। বাঘের মামা হয়ে আর ছাত্র পড়িয়ে বেশ ভালোই চলে যাচ্ছিল তার।
কিন্তু বাস্তবে শেয়াল মামা খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থায় নেই। মাঠে-ঘাটে এর-ওর তাড়া খেয়ে বেড়াচ্ছেন। সবশেষ তাড়া খেলেন এক রাগী সারস দম্পতির।

ঘটনাটি এমন- এক ক্ষুধার্ত শেয়াল বেরিয়েছিল খাবারের সন্ধানে। সামনে খেলছিল দুই নধরকান্তি সারস ছানা। ব্যস, আর যায় কোথায়। তাদের তাক করে ধীরে ধীরে এগোতে থাকে শেয়াল মামা।

গ্লস্টারশায়ারে ডব্লিউডব্লিউটি স্লিমব্রিজ ওয়েটল্যান্ড সফর করছিলেন আলোকচিত্রী মার্ক হিউজেস। এ ঘটনা চোখ এড়ালো না তার। ঝটপট করে ছবিগুলো তুলে ফেললেন তিনি।

তবে তিনি দুই বয়সী সারস দম্পতির জন্য কাছে কোথাও লুকিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। স্থানীয়রা এদের মন্টি আর ক্রিস্টিন নামে চেনেন। তারা ঘরে ফিরলে কিছু ছবি তোলার ইচ্ছে ছিল তার।

এদিকে হিউজেস খেয়াল করলেন, বাম দিকে একটি শেয়াল ছোঁ মারার অপেক্ষায়। সঙ্গে সঙ্গে তিনি এই দুর্লভ মুহূর্তগুলো ফ্রেমবন্দি করার জন্য প্রস্তুত হলেন।

তার ভাষায়, হঠাৎ বাম দিক থেকে একটি শেয়াল এসে হাজির। যার লক্ষ্যই হচ্ছে খাবার খোঁজা।

শেয়াল মামা যেই না ঝাঁপিয়ে পড়তে যাবে, তার মতলব বুঝে ফেলল ছানাদের বাবা-মা। অমনি তাড়া শুরু। দু’জন মিলে তাড়িয়ে একবারে সীমানাছাড়া করে তবেই শান্তি।

বেচারা শেয়াল মামা! এমনিতে খাওয়া জুটল না, উল্টে মিলল রাম তাড়া।

মি. হিউজেস অবশ্য ক্যামেরার শাটার টিপতে ভুললেন না। এসেছিলেন এমনি পাখির ছবি তুলতে, ভাগ্যবলে পেয়ে গেলেন অসাধারণ কিছু ছবি। আমরাও দেখতে পেলাম ধূর্ত শেয়াল মামার তাড়া খাওয়া।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫