Skip to content

লঞ্চ শনাক্ত অভিযান ফের বন্ধ, স্বজনদের সড়ক অবরোধ

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥ ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ লঞ্চটির অবস্থান শনাক্তে সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে ফের শুরু হওয়া অভিযান এক ঘণ্টা চলার পর বন্ধ করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস এ অভিযান চালাচ্ছিলো। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক আবদুস সালামের নেতৃত্বে কয়েকটি ইউনিট অভিযানে অংশ নেয়। ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব একটি বোট এবং একটি ভাড়া করা ট্রলারে করে অভিযান চলে। তখন নদী শান্ত ছিলো।
অভিযান চলাকালে রাত দেড়টার দিকে ট্রলার থেকে নদীতে ফেলানো রশিতে কিছু একটা আটকে যায়। জায়গাটি ছিলো ডুবে যাওয়া লঞ্চের কাছাকাছি। তখন আটকে যাওয়া বস্তুটি লঞ্চ কি না জানার জন্য ডুবুরিরা নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় রশিটি ছিঁড়ে যায়।
তাড়াছা, অভিযানে যে ট্রলারটি ব্যবহার করা হচ্ছিলো মাঝ নদীতে স্রোতের মধ্যে স্থির হয়ে অবস্থান না করার উপযোগী হওয়ায় শনাক্ত অভিযান স্থগিত করা হয়।লঞ্চ শনাক্ত অভিযান ফের বন্ধ, স্বজনদের সড়ক অবরোধ
এখন অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা বৈঠকে বসবেন। তারপর তারা পুনরায় অভিযান কখন এবং কীভাবে শুরু করবেন সে বিষযে সিদ্ধান্ত নেবেন।
এর আগে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর লঞ্চের অবস্থান শনাক্তে নতুন করে কাজ শুরু হয়।
বিআইডব্লিউটিএর নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের পরিচালক মো. জসীম তখন বলেন, এমভি রুস্তমের নেতৃত্বে ১৫টি নৌযান নিয়ে লঞ্চের অবস্থান চিহ্নিত করার কাজ চলছে।
দুর্ঘটনার পর সোনার ব্যবহার করে পানির নিচে লঞ্চটি শনাক্ত করার চেষ্টা চালানো হলেও তাতে সফল হননি উদ্ধারকর্মীরা।
অপর উদ্ধারকারী জাহাজ সন্ধানী মাওয়া ঘাটে অবস্থান করছে।
এরআগে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল স্পিড বোট ও ট্রলারে করে নদীতে তল্লাশি শুরু করেন। কিন্তু প্রবল স্রোত আর বাতাসের কারণে তাদের কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
মাওয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী লঞ্চ পিনাক-৬ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে পদ্মা নদীতে প্রবল স্রোত এবং বাতাসে পড়ে ডুবে যায়। প্রচণ্ড ঢেউ আর তীব্র স্রোতের মধ্যে গভীর রাত পর্যন্ত লঞ্চটির অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
ডুবে যাওয়ার পর অর্ধশতাধিক যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। গভীর রাত পর্যন্ত নিখোঁজ ৯১ জনের স্বজনরা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্ধার কাজে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিলেও তীব্র স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে অভিযান ব্যাহত হয় বলে উদ্ধারকর্মীরা জানান।
দুর্ঘটনার পরপরই ট্রলার ও স্পিডবোট নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পরে কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন।
এমএল পিনাক-৬ নামে লঞ্চটির ধারণ ক্ষমতা সর্বোচ্চ ১২০। তবে তাতে আড়াই শতাধিক যাত্রী ছিল।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫