বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
ঢাকা : নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) ভারতের পশ্চিমবঙ্গকে তাদের ‘নিরাপদ ঘাঁটি’তে পরিণত করে সেখান থেকে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ছক তৈরি করছিল বলে জানতে পেরেছেন সে দেশের গোয়েন্দারা। এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের নেত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দুই দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের হত্যার পরিকল্পনাও ছিল।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গত রবিবার বিডিনিউজ এ খবর দিয়েছে।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলেও ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
তবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রথম ব্যাচের কর্মকর্তা এবং বিএসএফের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সমির মিত্র বলেন, বর্ধমানের ঘটনায় বাংলাদেশের জেএমবি জড়িত বলে এখন মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে বর্ধমান থেকেই শেখ হাসিনা কিংবা খালেদা জিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা হচ্ছিল- এটা বলা এখনই ঠিক হবে না। তা ছাড়া খালেদা জিয়াকেই বা কেন হত্যার ছক করা হবে? তিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন তাঁর জোটসঙ্গী ছিল জামায়াত। তাঁদের সঙ্গেই জঙ্গি-শিবিরের সম্পর্ক আছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা বলছেন, এনআইএ এবং গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ ও ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে বর্ধমান নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।
এদিকে বর্ধমানের ঘটনা তদন্ত করতে আজ সোমবার ‘হাই ভোল্টেজ টিম’ আসছে কলকাতায়। এ দলে আছেন ভারতের জাতীয় উপদেষ্টা অজিত ভোদাল, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের প্রধান জে এন চৌধুরী এবং আইবির প্রধান সৈয়দ আফিস ইব্রাহিম। বর্ধমান কাণ্ডের ঘটনায় তাঁরা সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করবেন। এর আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ
