Skip to content

রামেকের চুরি নবজাতক উদ্ধার, আয়াসহ আটক ৪

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
রাজশাহী: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) থেকে চুরি যাওয়া নবজাতককে তিনদিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রামেকের আয়া নার্গিস খাতুনসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজশাহীর শাহমখদুম থানায় মহানগর পুলিশের পক্ষ মো. শামসুদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান। এ সময় শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মো. শামসুদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে পবা উপজেলার ভবানীপুর থেকে ওই শিশুকে উদ্ধার করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে অন্যান্যরা হলেন; পবা উপজেলার ঘোলঘড়িয়া গ্রামের খালেদা আখতার, তার মা সখিনা বেগম ও স্বামী জালাল উদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজপাড়া থানার পরিদর্শক আনিসুর রহমান জানান, সোমবার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে নবজাতককে রাখার পর ওই ওয়ার্ডে কর্মরত আয়া নার্গিস বেগমের সহযোগিতায় পবা উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের সখিনা খাতুন বাচ্চাটি চুরি করেন। এরপর বাচ্চাটিকে নিয়ে পবা উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের রাখা হয়। সখিনার মেয়ে খালেদা বেগম নিঃসস্তান হওয়ায় তার কাছে নবজাতক দেখে এলাকবাসীর সন্দেহ হয়। তারা বিষয়টি শাহমখদুম থানা পুলিশকে জানায়। ভবানীপুরে অভিযান চালিয়ে ওই বাচ্চাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি বলেন, খালেদাকে আটকের সময় সে পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করে বাচ্চাটি তার এবং গত সোমবার সে বাচ্চাটি প্রসব করেছে। পরে পুলিশ তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করালে খালেদার চ্যালেঞ্জ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। পরে তাকে, তার স্বামী জালাল ও মা সখিনা বেগমকে আটক করা হয়।
তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আয়া নার্গিস খাতুনকে আটক করা হয়েছে।
আটক সখিনা বেগম সাংবাদিকদের জানান, তার মেয়ে খালেদা বেগম নিঃসন্তান। অনেক চিকিৎসা করেও তার বাচ্চা হয়নি। হাসপাতালের আয়া নার্গিস তার পূর্ব পরিচিত। বেশ কয়েকদিন ধরেই তারা দুজনে মিলে নবজাতক চুরির চেষ্টা করছিলেন। সোমবার অনুকূল পরিবেশ পেয়ে রুবিনার বাচ্চাটিকে তারা দুজন মিলে চুরি করেন।
উল্লেখ্য, গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট পৌর এলাকার শুনশুনি পাড়ার তরিকুল ইসলামের স্ত্রী রুবিনা বেগম প্রসব বেদনা নিয়ে ২৮ ডিসেম্বর রামেক হাসপাতালের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হয়। ২৯ ডিসেম্বর সোমবার দুপুর আড়াইটায় তিনি সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে মেয়ে শিশু জন্ম দেন। সিজারের ৩০ মিনিট পরে ওই নবজাতককে সেবিকার মাধ্যমে ২২ নম্বর ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সঙ্গে রুবিনার নানা মোজাফফর ও নানী রহিমা ছিলন। ওয়ার্ডে শিশুটিকে নিয়ে আসার পরে সেবিকার হাত থেকে শিশুটিকে তারা বুঝে নেয়। এরপরে ওই ওয়ার্ডের থাকা সখিনা বেগম নবজাতকটিকে আদর ও সেবা যতœ করতে থাকে। এর এক ফাঁকে তিনি নবজাতকটিকে নিয়ে পালিয়ে যান। বেঙ্গলিনিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫