Skip to content

২৪ ঘণ্টায় প্রাথমিক দুর্যোগ কাটাতে সক্ষম সরকার

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
ঢাকা: যেকোনো দুর্যোগে প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দুর্গতদের জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ত্রাণ ও অর্থ সহায়তা পৌঁছে দিতে সক্ষমতা রয়েছে সরকারের। এজন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হাতে রয়েছে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি) মো. কামরুল হাসান বাংলানিউজকে এ তথ্য জানান।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি উদ্ধার কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তা নেওয়া হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত প্রাথমিক অর্থ ও ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মো. কামরুল।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, দুর্যোগে সাহায্য মঞ্জুরি ও গৃহনির্মাণ খাতে ১৬ কোটি টাকা, টিআর খাতে এক হাজার ২৯২ কোটি টাকা, জিআর খাতে ২৮৪ কোটি টাকা, কম্বল কেনার জন্য ২২ কোটি টাকা, বন্যার ক্ষয়ক্ষতির জন্য ৪০ কোটি টাকা, অনাবৃষ্টি ও খরার জন্য ১২ কোটি টাকা, ঘূর্ণিঝড় পুর্নবাসন মঞ্জুরি খাতে ২২ লাখ টাকা এবং অন্যান্য খাতে ব্যয়ের জন্য মজুত রয়েছে ২২ কোটি টাকা।

এছাড়া ভিজিএফ’র জন্য এক হাজার ৪১৯ কোটি টাকা, ত্রাণ কাজে সেনা মোতায়েনের জন্য পাঁচ কোটি ৭২ লাখ টাকা, ঘূর্ণিঝড় কর্মসূচির জন্য থোক বরাদ্দ রয়েছে পাঁচ কোটি টাকা।

মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ শাখার কর্মকর্তারা জানান, টিআর এবং ভিজিএফের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়। এসব খাতের অর্থ সেভ আওয়ার সোল (এসওএস) ফর্মের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা ও ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে এক সপ্তাহের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসওএস ফর্মের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকরা সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ পৌঁছে দেয়।

এই খাতে রয়েছে প্রায় দুই হাজার সাতশ’ কোটি টাকা।

আর জেলা প্রশাসকরা বিভিন্ন খাতের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে বিবরণ পাঠালে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে এক সপ্তাহের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়। ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাইরে অন্য মন্ত্রণালয়গুলোকেও ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

এছাড়া যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকা ব্যবহার করতে পারবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। বড় বড় দুর্যোগে এই তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় করা হয়।

যুগ্ম-সচিব কামরুল হাসান বাংলানিউজকে বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি কম নয়। কালবৈশাখীতে খুব বেশি সমস্যা না হলেও টর্নেডো, সাইক্লোনে সমস্যা হয়। এসব দুর্যোগের পর ক্ষতি কাটাতে মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য টিন, নগদ টাকা, ভিজিএফ খাদ্য শস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২০ হাজার টাকার অর্থ সহায়তা ছাড়াও প্রতি পারিবারকে এক বান্ডিল টিনের সঙ্গে ঘর নির্মাণে আরও তিন হাজার করে টাকা দেওয়া হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে বজ্রপাতের ঘটনায় বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে জানিয়ে কামরুল হাসান বলেন, আকাশে কালো মেঘ থেকে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। যেহেতু এর পূর্বাভাস দেওয়া যায় না, একমাত্র সচেতনতাই হতে পারে জীবন রক্ষার অবলম্বন।

ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরাসহহ প্রাকৃতিক ও মানুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলা ও ত্রাণ তৎপরতার জন্য বাংলাদেশ এখন রোল মডেল বলে জানান কামরুল হাসান। বাংলানিউজটোডেন্টিফোর.কম

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫