বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
রংপুর: ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের দিনাজপুর অংশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে ও বড় বড় গর্তের। এসব গর্তের কারণে দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনা যেন নিত্যসঙ্গী।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ ইট বালু ও খোয়া ফেলে সংস্কারের চেষ্টা চালালেও বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে মুছে আগের অবস্থায় ফিরে আসছে। যাত্রী ও চালকরা বলছেন, ঈদের আগে স্থায়ীভাবে সংস্কার করা না হলে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের ৮০ কিলোমিটার জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে খানা-খন্দের। আর এ সড়কেই প্রতিদিন চলছে শতশত ভারী যানবাহন। আর কিছুদিন পরেই ঈদকে সামনে রেখে শুরু হবে ঘরেফেরা মানুষের চাপ। ব্যস্ত হয়ে পড়বে এ মহাসড়ক। কিন্তু সড়কের এই বেহাল দশায় এখনই বিকল হয়ে যাচ্ছে গাড়ির যন্ত্রপাতি। এতে চিন্তিত চালক ও যাত্রী উভয়ই।
ভুক্তভোগী চালক ও যাত্রীরা জানান, রংপুর মহানগরীর মডার্ন মোড় থেকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পর্যন্ত ৭৫ কিলোমিটার অংশজুড়ে সড়কটির বেশিরভাগ জায়গায় শুধুই খানা-খন্দ বড় বড় আর গর্ত। এরমধ্যে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। এতে যানবাহনের ক্ষতির পাশাপাশি প্রতিনিয়তই হচ্ছে যানজট।
চালকরা বলছেন, সড়কের এই অবস্থার কারণে গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। রাস্তার মাঝেই বিকল হয়ে পড়ছে। এতে দুর্ঘটনা বাড়ছে। যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এদিকে সড়কের এই বেহাল দশা ঠিক করতে সড়ক বিভাগ ইট বালু ও খোয়া ফেলে সংস্কারের চেষ্টা চালালেও তা বৃষ্টির পানিতে আবার নিমিষেই ধুয়ে মুছে যাচ্ছে। সড়ক বিভাগ বলছে টানা কয়েকদিন বৃষ্টির ফলে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তবে ঈদের আগে কয়েকদিন সময় পেলে এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. আবদুল্লাহ আল মামুন বাংলামেইলকে বলেন, ‘আমাদের সকল প্রস্তুতি নেয়া আছে। আমরা সড়কের পাশে ইতিমধ্যে ইট বালু এবং খোয়া ফেলে রেখেছি। বৃষ্টি বন্ধ হলেই আমরা দ্রুত কাজ শুরু করে দেব।’
সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় পঞ্চগড়ের বাংলাবান্দা থেকে বগুড়া পর্যন্ত মহাসড়কটি নির্মাণের পর ডিজাইন শেষ হয়েছে ২০০৮ সালে। এই সময়ে ধারণ ক্ষমতার চারগুনেরও বেশি চাকার লোড নিয়েছে সড়কটি। ২০১৭ সালের মধ্যে মহাসড়কটিতে চারলেনের কাজের দরপত্র হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলামেইল২৪ডটকম
