স্টাফ রিপোর্টার ॥
ঢাকা : প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিয়ন্ত্রণ আসলে কে করে- শিক্ষা মন্ত্রণালয় নাকি অর্থ মন্ত্রণালয়? চলমান ছাত্র আন্দোলন ও ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর প্রতিদিনকার প্রলাপ দেখা যাচ্ছে, কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ বিষয়ে চুপ কেন? তিনি এর সমাধান টানার যৌক্তিক কর্তৃপক্ষ হলেও তার তরফ থেকে এ নিয়ে কোনো কথা শোনা যাচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর ভূমিকা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি।
শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের ওপর ভ্যাটের আরোপের বিরুদ্ধে চলমান ছাত্র আন্দোলন এবং এ নিয়ে নানামুখি বিভ্রান্তির জন্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে সরাসরি দায়ী করেন বাদশা।
ওয়ার্কার্স পার্টির এ সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীর প্রলাপবাক্য দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সময়ে সংকট সৃষ্টি করেছে। ভ্যাট আরোপ নিয়েও তিনি একেক দিন একেক ধরনের কথা বলে চলমান সংকটকে আরো উসকে দিয়েছেন। গোটা শিক্ষাব্যবস্থাকে যারা বাণিজ্যিকীকরণ করতে চায়, তারাই ছাত্রদের ওপর ভ্যাট আরোপের চিন্তা করেন।’
‘অর্থমন্ত্রীর মৌলিক চিন্তাতেই বিভ্রান্তি আছে’ উল্লেখ করে বাদশা বলেন, ‘চলমান এই সঙ্কট আজই সমাধান হওয়া দরকার। এ বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।’
অবিলম্বে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে সব প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন বেতন-ফি নির্ধারণের নীতিমালা প্রণয়ন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক কঠোরভাবে তা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানান তিনি।
