Skip to content

অটোরিকশা চালকদের দৌরাত্ম্য চলছেই

স্টাফ রিপোর্টার ॥
ঢাকা: কাছের দূরত্বে যাত্রী নিতে রাজি হচ্ছেন না বেশিরভাগ সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক। যাত্রীদের কাছে বকশিস ও মিটারের অতিরিক্ত টাকাও দাবি করছেন তারা। বর্ধিত ভাড়া কার্যকরের মাস পেরোতে চললেও নিময় না মেনে এভাবেই চলছে অটোরিকশা।

শুক্রবার ছুটির দিন সকালে বনানী থেকে আসাদগেট যাবেন মেহরাব আলম। তিনি জানান, কাকলী মোড়ে ৪টি অটোরিকশা যেতে চায়নি। দুজন চালক অতিরিক্ত ৩০ টাকা দাবি করেছেন।

কাছের দূরত্বে যেতে চাইলে অটোরিকশা চালকদের হাতে এভাবেই জিম্মি হতে হয় বলেও অভিযোগ করেন মেহরাব আলম।

কোথাও যেতে চাইলে চালকদের পছন্দমতো স্থানে যাত্রীকে নেমে যেতে হয়। যাত্রীর সঠিক গন্তব্যে যেতে অধিকাংশ চালক রাজি হয় না- অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

এদিকে ১ নভেম্বর থেকেই ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য বন্ধে নগরীর পৃথক স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

দুপুর গড়ানোর আগেই তাদের অভিযান শেষ হয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে কথা বললে বিআরটিএর সচিব শওকত আলী জানান, এখন শুক্র ও শনিবার বন্ধের দিনও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। কোন অটোরিকশা চালক অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করলে বিআরটিএ‘র নম্বর দেওয়া আছে যেখানে অভিযোগ দেওয়া যেতে পারে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ ব্যাপারে বলেন, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় বিআরটিএ’র নম্বর, সিএনজি চালক ও মালিকের নাম-নম্বর ও ভাড়ার নির্দেশনাটি যাত্রীর সামনে টানানোর ব্যবস্থা রাখলে অতিরিক্ত ভাড়ার নৈরাজ্য সহজে বন্ধ হবে।

এদিকে, ১ পয়সাও বাড়তি না নিতে সিএনজি চালকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি বরকত উল্লাহ বুলু।

তার সংগঠনের প্রায় চার হাজার সদস্যের কারও কারও ২০টি করে আবার কারও ২টি করে সিএনজি অটোরিকশা আছে। সব মালিকই চালকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত হারে জমা নেন বলে দাবি করেন তিনি।

বুলু বলেন, কোন চালক যদি অতিরিক্ত জমার কথা বলে বেশি ভাড়া দাবি করে তাহলে তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিতে হবে।

মালিক সংগঠনের এই নেতা আরও বলেন, কিছু চালক জেল খাটলে এ নৈরাজ্যের অবসান হবে।

১ নভেম্বর থেকে অটোরিকশার বর্ধিত ভাড়া কার্যকর শুরু হয়। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় নির্ধারিত ভাড়ার হার প্রথম দুই কিলোমিটারে ৪০ টাকা, যা আগে ছিল ২৫ টাকা। দুই কিলোমিটারের পরে প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ১২ টাকা নির্ধারণ করে। এরপর প্রতি মিনিট বিরতির জন্য গুণতে হবে ২ টাকা করে।

ভাড়া বাড়ানোর সঙ্গে বেড়েছে চালকদের দৈনিক জমার পরিমাণ। মালিকের জমা বাবদ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে চালককে, আগে যা ছিল ৬০০ টাকা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫