স্টাফ রিপোর্টার ॥
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে সরকার। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক অংশ নিয়েছেন। এছাড়া ফেসবুক কর্তৃপক্ষের পক্ষে এতে অংশ নিয়েছেন ফেসবুক দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পাবলিক পলিসি ম্যানেজার বিক্রম লাং এবং ল’ অ্যানফোর্সমেন্ট স্পেশালিস্ট দিপালী লিবারহেন।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে কনরফারেন্স কক্ষে বৈঠকটি শুরু হয়। বিটিআরসি, এনটিএমসিসহ আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।
সরকারের আলোচনার প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে ষষ্ঠ দিনে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসলো ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, বৈঠকে বাংলাদেশের তরফ থেকে এখানে এডমিন বসাতে ও চুক্তি করার ব্যাপারে আগ্রহ দেখানো হবে। তবে কীভাবে বাংলাদেশের সমস্যাগুলোর সমাধান করা যায় সে ব্যাপারে বৈঠকেই আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ফেসবুকের দুই কর্মকর্তা ঢাকায় এসেছেন। আমাদের সমস্যাগুলো আমরা তাদের জানাব। তারাও এ ব্যাপারে ইতিবাচক বলে আমাদের জানিয়েছে। ফলে ওই বৈঠকে দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে বলে আমি আশাবাদী।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে সরকারের পক্ষে চিঠি পাঠায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। ১৭ নভেম্বর প্রথম ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তি করার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী।
এর একদিন পর অর্থাৎ ১৮ নভেম্বর থেকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ফেসবুক, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বন্ধ করে দেয় সরকার। এখন পর্যন্ত এগুলো খুলে দেয়া হয়নি।
