Skip to content

চলতি বছর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ

স্টাফ রিপোর্টার ॥
চলতি বছরে বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হার ৬ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। ক্যালেন্ডার বর্ষ ধরে এই দাতা সংস্থাটি বলেছে, আগামী দুই বছরে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়বে। তবে মূল্যস্ফীতির হার এখনও অস্বস্তিতে রয়েই গেছে। যা ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে তুলনামূলক বেশি।

বুধবার মধ্যরাতে বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমি প্রসপেক্টস-২০১৬’-শীর্ষক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়। পূর্বাভাসে গত দুই বছরের চেয়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার চলতি বছর দশমিক ২ শতাংশ বাড়বে বলে বলা হয়েছে। আগামী দুই বছর এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছবে। গত দুই বছরে সাড়ে ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির কথা বলেছিল বিশ্ব ব্যাংক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশে এখনও মূল্যস্ফীতির হার বেশি। ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার চেয়ে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির হার বেশি। এর মূলে রয়েছে পরিবহন ব্যয় বেশি হওয়া, বহির্বিশ্বের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় না করা। ভারত ও পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতির হার কমিয়ে আনতে তাদের নীতিতে পরিবর্তন এনেছে। একই নীতির কারণে শ্রীলংকায় রেকর্ড পরিমাণ মূল্যস্ফীতির হার কমেছে।

এ বিয়য়ে জানতে চাইলে বিশ্ব ব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, জিডিপির প্রবৃদ্ধির হিসাব ধরা হয়েছে ক্যালেন্ডার বর্ষ হিসেবে। অর্থ বছরের হিসাবে যা কিছুটা কমে যাবে। অর্থাৎ পূর্বাভাস অনুসারে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ হার সাড়ে ৬ শতাংশ হবে। তিনি বলেন, বিশ্ব বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের দাম সমন্বয় করার সময় এসেছে। যেভাবে তেলের দাম কমেছে তা খুব শিগগিরই বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা নেই।

উল্লেখ্য, কয়েক বছর থেকে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ থেকে সাড়ে ৬ শতাংশের মধ্যেই আটকে আছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে; যা আগের বছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছুটা কম। প্রতিবেদনে বলা হয়, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পাবলিক সেক্টরে বিনিয়োগ বৃদ্ধি বাংলাদেশে আগামীতে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে। তবে বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকারের ঋণ নির্ভরশীলতা বাংলাদেশে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগের জন্য ঝুঁকি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ২০১৫ সালে প্রবৃদ্ধির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৩ শতাংশে। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ কিছু চ্যালেঞ্জের কারণে এই প্রবৃদ্ধি আরও কমবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর পরবর্তী দু’বছরের প্রবৃদ্ধি নির্ভর করবে উচ্চ আয়ের দেশগুলোর উৎপাদন, খাদ্য মূল্যের স্থিতিশীলতা, মুদ্রানীতি ও চীনের অর্থনীতির গতি প্রকৃতির ওপর।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫