বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম রাব্বীকে পুলিশি নির্যাতনের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে দায়ের করা রিট আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় এসেছে।
সোমবার সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মাদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি একেএম শহিদুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এটি এসেছে।
বিষয়টি সাংবাদিকদের এসএমএস করে জানিয়েছেন রিটকারীদের একজন এসএম জুলফিকার আলী জুনু। যদিও সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটের সঙ্গে এ তথ্যের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। জুলফিকার আলী এসএমএস করে জানিয়েছেন রিট পিটিশন নং ৫২৪/১৬ (অ্যাবাউট গোলাম রাব্বী ম্যাটার) টুডে নাউ কেস লিস্ট আইটেম নং ১০৬ কোর্ট এইট ওল্ড।
গতকাল রোববার দুপুরে সংশ্লিষ্ট শাখায় রাব্বীর পক্ষে রিট আবেদনটি দায়ের করেন ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান, অ্যাডভোকেট এসএম জুলফিকার আলী জুনু এবং বেসরকারি রেডিও সেন্টারের রিপোর্টার জাহিদ হাসান।
বাদীপক্ষের আইনজীবী সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন সংবাদিকদের বলেন, ‘রাব্বীকে পুলিশের আটক ও নির্যাতনকে অবৈধ ঘোষণা চেয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে। পুলিশের কাছে দেয়া রাব্বীর অভিযোগকে প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (এফআইআর) হিসেবে গ্রহণ করার আবেদনও জানানো হয়েছে রিটে। একইসঙ্গে রাব্বীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে যে ক্ষতিগ্রস্থ করা হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে তিন কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে।’
খোকন আরো বলেন, ‘উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ শিকদারকে সাময়িক বরখাস্তের যে আদেশ তা যথোপযুক্ত হয়নি। রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, পুলিশের আইজি, ডিএমপি কমিশনার, তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার, মোহাম্মাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দোষী এসআই মাসুদ শিকদারসহ মোট সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে।’
এসআই মাসুদ শিকদার ও গোলাম রাব্বী
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংকের কমিউনিকেশন্স বিভাগের কর্মকর্তা গোলাম রাব্বীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৯ জানুয়ারি রাতে মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে ফেরার পথে তাকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাকে মাদকসেবী বানানোর ভয় দেখিয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন। এ চেষ্টায় তাকে মারধরও করা হয়।
বিষয়টি জানাজানি হলে গতকাল শনিবার অভিযুক্ত এসআই মাসুদ শিকদারকে প্রথমে প্রত্যাহার ও পরে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বাংলামেইল২৪ডটকম
