বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন প্রচুর পরিমান ভ্রমন পিয়াসী মানুষ থাইল্যান্ড ভ্রমনে যান। কেউবা যাচ্ছেন ব্যবসায়ীক বা কেউবা চিকিৎসার কারণে। কিছু কাল আগেও বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ড যেতে শুধু মাত্র পোর্ট ভিসার প্রচলন ছিল। কিন্তু বর্তমানে থাইল্যান্ডের ভিসা পেতেও কম ঝামেলা পোহাতে হয়না।তাই বাধ্যহয়ে অনেক সময় থাইল্যান্ডলের ভিসা প্রার্থীরা প্রতারক দালাদের আশ্রয় নিচ্ছে।
তবে ভিসা প্রার্থীদের দুর্ভোগের কথা আমলেই নিচ্ছে না বাংলাদেশস্থ থাই দুতাবাস। বরং থাই দুতাবাস থেকে ব্যবসায়ী ভিসার জন্য মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছেন বলে থাই ভিসা প্রার্থী বাংলাদেশের কয়েকজন ব্যবসায়ী এ অভিযোগ করেন। তবে তাদের ভিসা থাই দূতাবাসে থাকায় তাদের পরিচয় প্রকাশের অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।
শুধু ব্যবসায়ীক ভিসা প্রার্থী নয়, ভ্রমণ ভিসাতেও একই হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে ভিসার জন্য আমি থাই দূতাবাসে আমার পাসপোর্ট জমা দিয়েছি। আমার পরে যারা আবেদন করেছে তাদের ভিসা হয়ে গেলেও আমার ভিসা হওয়া দুরে থাক পাসপোর্ট ও ফেরত দিচ্ছেনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভ্রমণ ভিসার জন্য আবেদনকারী অভিযোগ করেন, দুতাবাস থেকে ভ্রমণের ভিসার চাহিদা থাকায় তারা নিজস্ব কিছু দালাল নিয়োগ করে রেখেছেন যার মাধ্যমে নিয়মের বেশি টাকা দিয়ে ভিসা প্রোসেসিং করায়। এভাবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অবৈধ ভাবে মোটা অঙ্কের একটি টাকা দুতাবাসের কিছু কর্মকর্তা হাতিয়ে নিচ্ছে।
এছাড়াও দুতাবাস থেকে মোবাইল নম্বর ভ্যারিফিকেশনের নামে কল করে খারাপ আচরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হয়রানির শিকার থেকে বাদ পড়েননি ডড়ৎষফ ঋরহধহপরধষ অষষরধহপব এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাফিউল আজম। জমা দেয়ার পর থাই দুতাবাস ১৩ জানুয়ারি থেকে তার পাসপোর্ট হোল্ড করে রেখেছে। সর্বশেষ আজ ৭ ফেব্রুয়ারি সাফিউল আজমের পাসপোর্ট ফেরত দেয়া হয়নি, এ ব্যাপারে কোন তথ্যও জানানো হচ্ছে না। তিনি জানান, এতদিন আমার পাসপোর্ট আটকে রাখার কোন আইনি ভিত্তি নেই। শুধু টাকার জন্য তারা মানুষকে হয়রানি করছে।
থাই ভিসা প্রার্থীদের এই দুর্ভোগ ও হয়রানি বন্ধে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভোক্তভোগীরা। তবে এই বিষয়ে থাই দুতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
